স্ত্রীর ডেঙ্গু: মেয়রের কাছে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে আইনজীবীর নোটিশ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i71870-স্ত্রীর_ডেঙ্গু_মেয়রের_কাছে_৫০_লাখ_টাকা_ক্ষতিপূরণ_চেয়ে_আইনজীবীর_নোটিশ
বাংলাদেশের রাজধানীতে ডেঙ্গু জ্বরে স্ত্রী আক্রান্ত হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম আজ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কাছে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সংস্থার মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠিয়েছেন।
(last modified 2026-03-08T13:29:51+00:00 )
জুলাই ১১, ২০১৯ ১৬:০৯ Asia/Dhaka
  • তানজিম আল ইসলাম ও সাদিকুন নাহার
    তানজিম আল ইসলাম ও সাদিকুন নাহার

বাংলাদেশের রাজধানীতে ডেঙ্গু জ্বরে স্ত্রী আক্রান্ত হওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম আজ ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) কাছে ৫০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে সংস্থার মেয়র ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাকে আইনি (লিগ্যাল) নোটিশ পাঠিয়েছেন।

ব্যক্তি স্বার্থে আজ (বৃহস্পতিবার) রেজিস্ট্রি ডাকযোগে পাঠানো এ নোটিশে বলা হয়, গত ২৯ জুন আমার স্ত্রী সাদিকুন নাহার (নোটিশদাতার স্ত্রী) ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং পাঁচ দিন হাসপাতালে থেকে আংশিক সুস্থতা লাভ করেন। যেহেতু এডিস মশা নিধনে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন পুরোপুরি ব্যর্থ, তাই এর দায়ভার তাদের নিতে হবে। ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আগামী তিন দিনের মধ্যে খিলগাঁও এক নম্বর ওয়ার্ডে মশক নিধনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। তা না হলে আইন অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকার চেয়ে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

চলতি বর্ষা মৌসুমে রাজধানীতে ব্যাপক আকারে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার খবর প্রতিদিনই গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। জুলাই থেকে ৬ জুলাই পর্যন্ত মাত্র ছয় দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতাল এবং ক্লিনিকে ভর্তি হয়েছেন ৭৪৬ জন। রাজধানীর বাইরেও ছড়িয়ে পড়ছে ভাইরাসজনিত ডেঙ্গু জ্বর।

ওদিকে, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল সম্প্রতি তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করে বলেন, তিনি এখনো সুস্থ হন নি।

নিজের সুস্থ হওয়ার গতি অনেক শ্লথ জানিয়ে মুস্তফা কামাল বলেন, "১০ জুন ডেঙ্গু জ্বরে ভয়ানকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং হাসপাতালে ভর্তি হই। এ অসুস্থতা নিয়েই আমি গত ১৩ জুন সংসদে আসি। সেদিন যখন সংসদে প্রবেশ করি তখন থেকে পরবর্তী ৭-৮ মিনিট আমি সম্পূর্ণভাবে ব্ল্যাঙ্ক ছিলাম। আমার কোনো কিছুই মনে পড়ে না।"

তিনি আরও বলেন, "আমি কোনো রকমে গিয়ে আমার আসনে বসলাম। তখন আমার কেবল মনে হচ্ছিল প্রবল এক ভূমিকম্প পৃথিবীতে আঘাত হেনেছে। সেই ভূমিকম্পের কারণেই যেন ক্ষণে ক্ষণে আমার কম্পন হচ্ছিল। আমার মনে হচ্ছিল আমি সিট থেকে পড়ে যাচ্ছি। আমি তখন মনে মনে দোয়া পড়তে শুরু করলাম। আমি ভাবতে শুরু করলাম আমার আশপাশের বন্ধুবান্ধব কেউ না কেউ ধরবেন, যেন আমি ছিটকে পড়ে আহত না হই।"  

 

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১১