সরকারের কূটনৈতিক ব্যর্থতায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ভেস্তে গেছে: রিজভী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i73038-সরকারের_কূটনৈতিক_ব্যর্থতায়_রোহিঙ্গা_প্রত্যাবাসন_ভেস্তে_গেছে_রিজভী
কূটনৈতিক কৌশলে সরকার চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দ্বিতীয়বারের মত ভেস্তে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, আজকে এতগুলো মানুষের চাপ সহ্য করতে হচ্ছে। অথচ সরকার এদের বিষয়ে কিছুই করতে পারছে না। একজন রোহিঙ্গাদেরও ফেরত পাঠাতে পারেনি। এই ব্যর্থতা চরম ব্যর্থতা। কূটনৈতিকভাবেও তারা ব্যর্থ।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
আগস্ট ২৩, ২০১৯ ১১:৫২ Asia/Dhaka
  • বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী
    বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী

কূটনৈতিক কৌশলে সরকার চরমভাবে ব্যর্থ হওয়ায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন দ্বিতীয়বারের মত ভেস্তে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, আজকে এতগুলো মানুষের চাপ সহ্য করতে হচ্ছে। অথচ সরকার এদের বিষয়ে কিছুই করতে পারছে না। একজন রোহিঙ্গাদেরও ফেরত পাঠাতে পারেনি। এই ব্যর্থতা চরম ব্যর্থতা। কূটনৈতিকভাবেও তারা ব্যর্থ।

আজ (শুক্রবার) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম জিয়ার মুক্তির দাবিতে এক মিছিল পরবর্তী সংক্ষিপ্ত সমাবেশে এ কথা বলেন রিজভী। এ সময়, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিষয়ে তথ্যমন্ত্রীর দেয়া বক্তব্যের সমালোচনা করেন তিনি।

রিজভী আরও বলেন, ব্যর্থতা চারিদিকে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কিছুই করতে পারেনি। উল্টো রোহিঙ্গাদের আরো দুর্ভোগ আছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাহ, এতদিন ধরে তাদের কত বন্ধু, কিন্তু তারা কিছু করতে পারেনি?

এরআগে মিছিলটি পল্টন মোড় ঘুরে এসে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করেন রুহুল কবির রিজভী।

এদিকে, ‘নারী ও শিশু অধিকার ফোরাম’ নামে নতুন একটি সংগঠন করেছে বিএনপি। নিপীড়িত-নির্যাতিত নারী ও শিশুদের আইনি ও চিকিৎসা সেবায় সহযোগিতা দেয়ার লক্ষ্যে এ ফোরাম করা হয়। দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমানকে এ ফোরামের আহ্বায়ক ও নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরীকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। ফোরামের প্রধান উপদেষ্টা করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়কে।

আজ (শুক্রবার) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ ফোরাম সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

লিখিত বক্তব্যে সেলিমা রহমান বলেন, খুন-ধর্ষণের পৈশাচিক বিকৃতি আমাদের রাষ্ট্র সমাজকে গ্রাস করে ফেলেছে। দেশব্যাপী ধর্ষণ ও শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতি জনমনে গভীর উৎকন্ঠার জন্ম দিয়েছে। আইনের প্রয়োগ নেই বলেই সমাজবিরোধীরা ধর্ষণ-নিপীড়ণে উৎসাহিত হচ্ছে। সামাজিক এই অধঃপতনের সময় বিএনপি নির্বিকার বসে থাকতে পারে না।

এ সময়, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, এই ফোরামের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে নারী ও শিশু অধিকার রক্ষার যাবতীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী এবং বেগবান করা। এ বিষয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে ফোরাম।#

পার্সটুডে/ শামস মন্ডল/এমবিএ/২৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।