শেষ হলো পলাশী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রথম আন্তর্জাতিক অনলাইন সম্মেলন
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i80912-শেষ_হলো_পলাশী_দিবস_উপলক্ষে_আয়োজিত_প্রথম_আন্তর্জাতিক_অনলাইন_সম্মেলন
পলাশী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রথম অনলাইন আন্তর্জাতিক ইতিহাস-সংস্কৃতি সম্মেলন ২০২০ (আইসিএইচসি) শেষ হয়েছে। মুক্ত আসরের উদ্যোগে বাংলাদেশ ইতিহাস অলিম্পিয়াড ও বাংলাদেশ হেরিটেজ স্টাডি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন চারদিনব্যাপী ওই সম্মেলনের আয়োজন করে। 
(last modified 2026-03-01T10:43:34+00:00 )
জুন ২৪, ২০২০ ১৬:০১ Asia/Dhaka
  • (বামে) অধ্যাপক কাজেম কাহদুয়ি (ডানে- উপরে) মুমিত আল রশিদ
    (বামে) অধ্যাপক কাজেম কাহদুয়ি (ডানে- উপরে) মুমিত আল রশিদ

পলাশী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত প্রথম অনলাইন আন্তর্জাতিক ইতিহাস-সংস্কৃতি সম্মেলন ২০২০ (আইসিএইচসি) শেষ হয়েছে। মুক্ত আসরের উদ্যোগে বাংলাদেশ ইতিহাস অলিম্পিয়াড ও বাংলাদেশ হেরিটেজ স্টাডি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন চারদিনব্যাপী ওই সম্মেলনের আয়োজন করে। 

‘পলাশীর যুদ্ধ: সত্যের অনুসন্ধানে'-এ প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে বাংলাদেশ, ভারত, ইরান ও ব্রিটেনের ১০ জন খ্যাতিমান গবেষক ও শিক্ষকেরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে পলাশী যুদ্ধের গুরুত্বপূর্ণ নয়টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা ছিলেন- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া ভূঁইয়া, ইরানের ইয়াজদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক কাজেম কাহদুয়ি, ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের অধ্যাপক আশীষ কুমার দাস এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক এমরান জাহান। ভারতের অধ্যাপক মো. খাইরুল আনাম এবং লেখক ও শিল্পী শ্রীসলিল কুমার দাস রবীন্দ্র, ব্রিটেনের লেখক ও গবেষক প্রিয়জিৎ দেবসরকার, ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুমিত আল রশিদ।

আয়োজনটি বাংলাদেশ ইতিহাস অলিম্পিয়াড ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব থেকে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়।

২৬৩ বছর আগে অর্থাৎ ১৭৫৭ সালের ২৩ জন পলাশীর প্রান্তরে দুই শতাব্দীর জন্য অস্তমিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলার শেষ সূর্য। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ধূর্ত ও নীচ কৌশলের কাছে হার মেনে নিতে হয় প্রিয় নবাব সিরাজউদ্দৌলা ও তার মিত্রদের। আর এ অন্যায়কে ঢাকতে, বৈধতা দিতে কলঙ্কলেপন করা হয় সাহসী নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার চরিত্রে। দুইশত বছর ধরে চলে আসা এ প্রোপাগান্ডার অসত্যতা ইতিহাসবিদরা নিরূপণ করলেও সাধারণ মানুষের কাছে তা সেভাবে পৌঁছাতে পারেনি। অনলাইনে প্রথম আন্তর্জাতিক ইতিহাস-সংস্কৃতি সম্মেলনে এ দিকটিই তুলে ধরা হয়।# 

পার্সটুডেআশরাফুর রহমান/২৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন