'কোনও কোনও অস্ত্রশস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষায় প্রমাণ মিলেছে'
মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনে উপসাগরীয় কয়েকটি দেশের অস্ত্র-সম্ভারও ব্যবহার করা হয়েছে: ইরান
-
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি
পার্সটুডে: জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেছেন, তার দেশের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনে ব্যবহৃত অস্ত্র-সম্ভারের মধ্যে পারস্য-উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশের অস্ত্র-গুদাম বা অস্ত্র-কারখানার অস্ত্রশস্ত্রও ব্যবহার করা হয়েছে এবং এ বিষয়টির প্রমাণ পাওয়া গেছে কোনও কোনও অস্ত্রশস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পরীক্ষা করে।
তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি রাজতান্ত্রিক সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে বাহরাইন রাজতান্ত্রিক সরকারের উত্থাপিত সাম্প্রতিক এক অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসের কাছে লেখা চিঠিতে এই তথ্য দিয়েছেন। বাহরাইন সরকারের পক্ষ থেকে ওই অভিযোগে ইরানকে সন্ত্রাসী তৎপরতায় জড়িত বলে ও আলকায়দার মত সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে!
ইরাভানি ওই চিঠিতে বলেছেন, মার্কিন-ইসরায়েলি আগ্রাসনে ক্ষতিগ্রস্ত ইরানি শহরগুলো থেকে শত্রুদের ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্রের যেসব ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার-করা হয়েছে সেগুলো সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের এইসব সরকার কেবলই যে আগ্রাসীদেরকে সহায়তা ও মদদ যুগিয়েছে তা নয় একইসঙ্গে আন্তর্জাতিক আইনের ধারাগুলোর দৃষ্টিতে তারা এইসব আগ্রাসনে শরিকও হয়েছে। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের এই সরকারগুলোর দাবিকে পুরোপুরি ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষ্য-প্রণোদিত এবং প্রত্যাখ্যাত বলে উল্লেখ করেছেন।
এর আগে ইরাভানি জাতিসংঘ মহাসচিবের কাছে লেখা এক পৃথক চিঠিতে মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধের পরিকল্পিত সহযোগী ও শরিক হওয়ার দায়ে ইরানের বস্তুগত ও অবস্তুগত ক্ষয়ক্ষতির পরিপূর্ণ ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন বাহরাইন, সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও জর্ডান সরকারের কাছে। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/১৫
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন