হরমুজের পর ইরানের তুরুপের তাস এখন ইয়েমেনের ‘বাব আল-মান্দব’ প্রণালী
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i158498-হরমুজের_পর_ইরানের_তুরুপের_তাস_এখন_ইয়েমেনের_বাব_আল_মান্দব’_প্রণালী
পার্সটুডে- আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সাথে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মাঝখানে, ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ শুরু করেছে। ট্রাম্প তার এই পদক্ষেপকে ইরানের বিরুদ্ধে "চূড়ান্ত ধাক্কা" বলে অভিহিত করেছেন। কিন্তু পর্যবেক্ষকরা বলছেন এটা আমেরিকার নিজের জন্যই হতে পারে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের একটি জটিল জালে আটকা পড়া এবং আত্মঘাতি।
(last modified 2026-04-15T10:18:19+00:00 )
এপ্রিল ১৫, ২০২৬ ১৬:১৪ Asia/Dhaka
  • ইরানের তুরুপের তাস; বাব আল-মান্দব
    ইরানের তুরুপের তাস; বাব আল-মান্দব

পার্সটুডে- আমেরিকা ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সাথে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির মাঝখানে, ওয়াশিংটন ইরানের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ শুরু করেছে। ট্রাম্প তার এই পদক্ষেপকে ইরানের বিরুদ্ধে "চূড়ান্ত ধাক্কা" বলে অভিহিত করেছেন। কিন্তু পর্যবেক্ষকরা বলছেন এটা আমেরিকার নিজের জন্যই হতে পারে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটের একটি জটিল জালে আটকা পড়া এবং আত্মঘাতি।

ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ গত দুই বছরে দ্বিতীয়বারের মতো ‘সাপোর্ট’ ফ্রন্টে প্রবেশ করেছে। প্রথমবার তারা গাজা যুদ্ধের মাঝখানে একটি কার্যকর প্রতিরোধ ফ্রন্টে প্রবেশ করেছিল। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ-অবরোধ ঘোষণা এবং ইসলামাবাদের আলোচনার ব্যর্থতার পর সবাই ইরানের প্রতি আনসারুল্লাহর দৃঢ় সমর্থনের বিষয়টি দেখেছে। ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ইসলামাবাদের আলোচনায় ইরানের কূটনৈতিক বিজয়ের উপর জোর দিয়ে সতর্ক করে দিয়েছিল যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের সৃষ্ট যে কোনো নতুন উত্তেজনা ইয়েমেনি সশস্ত্র বাহিনীর পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হবে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।

গাজার প্রতি প্রথম সমর্থনমূলক যুদ্ধে আনসারুল্লাহ লোহিত সাগরের ফ্রন্টের মাস্টার হিসেবে প্রমাণিত হয়। ইসরায়েলের ইলাত বন্দর ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত বন্ধ করে দিতে তারা সক্ষম হয়। এর মানে হল ইয়েমেনিরা শক্তিশালী নৌবাহিনী ছাড়াই, এ অঞ্চলের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে সক্ষম হয়েছিল। আজ ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন নৌ-অবরোধ পরিকল্পনার পাল্টা ব্যবস্থা হিসাবে বাব আল-মান্দব ইরান ও ইয়েমেনের জন্য কৌশলগত অস্ত্রে পরিণত হয়েছে।

আনসারুল্লাহ ইতিমধ্যে দেখিয়েছে যে তিনি ওয়াশিংটনকে আলোচনার টেবিলে টেনে আনতে পারে। ওমানের মধ্যস্থতায় সর্বশেষ চুক্তিতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র উত্তর ইয়েমেনে হামলা বন্ধে সম্মত হয়েছিল। এখানে মজার বিষয় হল আমেরিকা সেই চুক্তিতে ইসরাইলকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোর দেয়নি। পর্যবেক্ষকরা এটিকে "প্রয়োজনের সময়ে মিত্রকে কৌশলগত পরিত্যাগ" বলে অভিহিত করেছেন। এখন কল্পনা করুন যে হরমুজ অবরোধের একইসাথে বাব আল-মান্দাবও বন্ধ। যার ফলে ইউরোপ, এশিয়া এমনকি আমেরিকার আরব মিত্ররাও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। #

পার্সটুডে/এমআরএইচ/১৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।