চার দফা দাবিতে দপ্তরি কাম প্রহরীদের শিক্ষা অধিদপ্তরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i82505-চার_দফা_দাবিতে_দপ্তরি_কাম_প্রহরীদের_শিক্ষা_অধিদপ্তরে_অবস্থান_নিয়ে_বিক্ষোভ
বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অশিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের চাকরি জাতীয়করণ, বেতন বৈষম্য নিরসনসহ চার দফা দাবিতে রাজধানীতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরীরা।
(last modified 2026-03-08T13:29:51+00:00 )
আগস্ট ২৪, ২০২০ ১৭:০২ Asia/Dhaka
  • চার দফা দাবিতে দপ্তরি কাম প্রহরীদের শিক্ষা অধিদপ্তরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ

বাংলাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অশিক্ষক কর্মচারীগণ তাদের চাকরি জাতীয়করণ, বেতন বৈষম্য নিরসনসহ চার দফা দাবিতে রাজধানীতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম প্রহরীরা।

বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারী কল্যাণ সমিতির ব্যানারে সোমবার সকালে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা প্রায় ৫ হাজার দপ্তরি কাম প্রহরীগণ মিরপুরে অবস্থিত অধিদপ্তরের সামনে বিক্ষোভ করছেন।

আন্দোলকারীরা জানান, সারাদেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৭ হাজার দপ্তরি কাম প্রহরী নিয়োগ দেয়া হয়। সরকারি বিদ্যালয়ে চাকরি করেও ন্যায্য বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না। তাদের দিনে দাপ্তরিক কাজ ও রাতে প্রহরার দায়িত্ব পালন করতে হচ্ছে। ২০১৩ সালে এ পদে নিয়োগের পর থেকে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করতে হয়।

আন্দোলনকারীরা বলেন, তাদের কোনো সাপ্তাহিক ছুটি নেই, নানাবিধ সমস্যার কারণে এবং চাকরি জাতীয়করণের জন্য ২০১৭ সালে উচ্চ আদালতে রিট পিটিশন দায়ের করা হয়েছিল। চলতি বছরের ৩০ জুলাই আদালতের রায় তাদের পক্ষে আসলেও এ বিষয়ে অধিদপ্তর কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। দাবি আদায় ছাড়া ঢাকা ছেড়ে যাবেন না বলেও জানান তারা।

প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্মচারী কল্যাণ সমিতির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন সরদার সাংবাদিকদের বলেছেন, দপ্তরি কাম প্রহরীদের নিয়োগের পর থেকে বিদ্যালয়ের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন কাজ, টয়লেট পরিষ্কার, বাগান পরিষ্কার, দাপ্তরিক কাজসহ অনেককে প্রধান শিক্ষকের বাড়িতে গিয়েও কাজ করতে হচ্ছে। রাতে আবার বিদ্যালয় পাহারার কাজ করতে হয়। বিদ্যালয়ে চুরি হলে আমাদের জরিমানা দিতে হয়। এ পর্যন্ত অনেককে চুরি হওয়ার জন্য জরিমানা দিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা দায়িত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলেও আমাদের রাজস্ব খাতে নেয়া হচ্ছে না, কর্মঘণ্টা নির্ধারণ না হওয়ায় প্রায় ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হচ্ছে। সপ্তাহে একদিনও আমরা ছুটি পাই না। এসব কারণে আমরা অধিদপ্তর ঘেরাও করতে বাধ্য হয়েছি। দাবি বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।

পার্সটুডে/আব্দুর রহমান খান/ বাবুল আখতার/ ২৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।