চলমান বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল হতে পারে: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
বাংলাদেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা তিন দিন ধরে নিম্নমুখী
বাংলাদেশে কঠোর লকডাউনের মধ্যে গত তিন দিন ধরে করোনা সংক্রমণ এবং মৃত্যুর সংখ্যা নিম্নমুখী লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬২৯ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল সকাল ৮টা থেকে আজ সকাল ৮টা পর্যন্ত) নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২৫ হাজার ৮৯৬ জনের। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ১৪ শতাংশ।
এ পর্যন্ত দেশে মোট ৭ লাখ ৩৯ হাজার ৭০৩ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে মারা গেছেন ১০ হাজার ৮৬৯ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৭ হাজার ৬৭৪ জন।
গতকাল করোনায় ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছিল এবং ৪ হাজার ১৪ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।
এদিকে, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে চলমান বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল হতে পারে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, তবে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে এবং 'নো মাস্ক নো সার্ভিস' নিশ্চিত করা হবে।
আজ শুক্রবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী জানান, ২৮ এপ্রিলের মধ্যে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে ।
এদিকে আজ শুক্রবার চলমান বিধিনিষেধের মধ্যে ব্যাপক সংখ্যক মানুষের জীবন-জীবিকার বিষয় বিবেচনা করে আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে দোকানপাট-শপিংমল শর্তসাপেক্ষে খোলা রাখা যাবে জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রী-পরিষদ বিভাগ।
আগামী রোববার (২৫শে এপ্রিল) থেকে প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দোকানপাট ও শপিং মল খোলা থাকবে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলা রাখা যাবে।
উল্লেখ্য, হঠাৎ করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় চলতি মাসের শুরুতে সারা দেশে কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করে সরকার। গত ১৪ই এপ্রিল থেকে সারা দেশে এক সপ্তাহের কঠোর লকডাউন দেয়া হয়। এতে সব ধরনের সরকারি-বেসরকারি অফিস, গণপরিবহন, শপিংমল-দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়। করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু না কমায় লকডাউনের মেয়াদ আরও এক সপ্তাহ বৃদ্ধির ঘোষণা দেয় সরকার। দ্বিতীয় দফায় গত ২১শে এপ্রিল শুরু হওয়া লকডাউন শেষ হবে ২৮শে এপ্রিল।#
এআরকে/২৩