আলেম-ওলামাদের গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম
হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী দেশের সম্মানিত আলেম-ওলামা ও দ্বীনের দাঈদেরকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার ও হয়রানি বন্ধ করতে সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। সম্প্রতি কিছু আলেমকে বিভিন্নভাবে গভীর রাতে তাদের নিজ বাড়ি থেকে বা অন্য কোন স্থান থেকে নিয়ে তুলে নিয়ে যাবার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে হেফাজত আমীর আজ এক বিবৃতি প্রকাশ করেছেন।
হেফাজতের আমীর তার বিবৃতিতে আশংকা প্রকাশ করে বলেন, একটি স্বাধীন গণতান্ত্রিক দেশে এসকল অগণতান্ত্রিক তৎপরতা জনমনে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি করতে পারে। দেশের মধ্যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি কোন আত্মগোপনকারী শত্রুগোষ্ঠী ইসলাম ও দেশের বিরুদ্ধে সুযোগ নিতে পারে।
হেফাজতে ইসলাম সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে, জনমনে ভয়-ভীতি ও আতঙ্ক সৃষ্টিকারী কায়দায় কোন আলেম বা সুনাগরিককে যেন ধরপাকড় করা না হয়। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে, সে যেই হোক না কেন, আইন অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে নিয়ে বিচারাধীন করা হোক।আল্লামা বাবুনগরী আরো তার বিবৃতিতে বলেন, “আমরা বলছি না যে, আলেম ওলামারা সবাই নিষ্পাপ ও অভিযোগ মুক্ত। হতে পারে তাদের মধ্যেও কেউ অপরাধী কিংবা দোষী থাকবেন। তবে অভিযুক্তদেরকে দেশের সাধারণ নিয়মে বিচারের আওতায় আনলে জনগণ স্বস্তি পাবেন।“
গ্রেপ্তারকৃত আলেম ওলামাদের সুষ্ঠু তদন্ত করে তাদের মুক্তির ব্যবস্থা করার দাবী জানিয়ে আল্লামা মহিবুল্লাহ বাবুনগরী বলেছেন, “আমরা সরকারকে স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, আলেম-ওলামারা এদেশের বা সরকারের শত্রু নন। বরং তারা দেশ ও দশের কল্যাণে সর্বদা এগিয়ে থাকেন।“
মুফতি কাজী ইব্রাহিমের বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের
ওদিকে, মঙ্গলবার ভোর রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের নিজ বাসা থেকে মুফতি কাজী ইব্রাহিমকে আটক করার পর তার বিরুদ্ধে দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষ থেকে। এ ছাড়া , স্কুলের টাকা আত্মসাৎ, চাঁদা দাবি এবং প্রতারণার অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানায় অপর মামলাটি দায়ের করেন রানা নামের এক ব্যক্তি।#
পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/বাবুল আখতার/২৯
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।