উত্তর গাজায় নিষিদ্ধ থার্মোব্যারিক বোমা ব্যবহার
ত্রাণের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরাইলি হামলা, নিহত ১০০
গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে শরণার্থী শিবিরে ত্রাণের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা ক্ষুধার্ত মানুষের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে ইহুদিবাদী ইসরাইলি বিমান বাহিনী। এতে ১৭ জনসহ গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন।
কাতারভিত্তিক স্যাটেলাইট টেলিভিশন আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল (শনিবার) গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় খান ইউনিসে ইসরাইলি বিমান হামলায় খাদ্য সহায়তার জসন্য অপেক্ষায় থাকা অন্তত ১৭ ফিলিস্তিনি এবং ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন ও সেভ দ্য চিলড্রেন-এর চারজন কর্মী নিহত হন।
ইসরাইলি বাহিনী উত্তর গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবিরেও ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। ওই বিমান হামলাতে কমপক্ষে ৪০ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন।
এছাড়া, গাজা শহরের পশ্চিমে আল-রিমাল পাড়ায় কাহিল পরিবারের বাড়িতে ১৩ জন শহীদ, খান ইউনিসের দক্ষিণে কিজান আল-নাজ্জারে ময়দা নেওয়ার সময় একটি গাড়ি লক্ষ্য করে ইসরাইলি বিমান হামলায় ১১ জন শহীদ হন। গাজা শহরের পূর্বে শুজাইয়া পাড়ায় রজব পরিবারের বাড়িতে হামলায় ৮ জন শহীদ এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এছাড়া, জাবলিয়ায় নাদের পরিবারের বাড়িতে গুলি ও কামানের আঘাতে একজন শহীদ, আল-বালাদের আরবাকান স্কুলে দুই শিশু ও একজন নারীসহ ৩ জন, বেইত লাহিয়ার আগা পরিবারের বাড়িতে বোমা হামলায় ৩ ফিলিস্তিনি শহীদ, আলিয়ান পরিবারের বাড়িতে একজন মহিলা ও তার তিন কন্যাসহ ৪ জন শহীদ এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
এদিকে, ইসরাইলি বাহিনী উত্তর গাজায় নিষিদ্ধ থার্মোব্যারিক বোমা ব্যবহার করেছে বলে জানিয়েছে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। থার্মোব্যারিক এমন ধরনের বোমা, যাতে কয়েক হাজার ডিগ্রির উচ্চ তাপ ও চাপে বাস্পের মতো উবে যায় মানবশরীর। এমনকি আশপাশে থাকলেও প্রচণ্ড শব্দতরঙ্গে শরীরের ভেতরের সবকিছু চুরমার হয়ে যায়।#
পার্সটুডে/এমএআর/১