তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন নিয়ে সরকারের বিধিনিষেধ নেই: প্রেস সচিব
-
বেগম খালেদা জিয়া
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের নিষেধাজ্ঞা বা আপত্তি নেই।
তারেক রহমানের সাম্প্রতিক বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তাঁর দেশে ফেরাকে ঘিরে সরকারের অবস্থান জানতে চাইলে তিনি একথা জানান।
শনিবার সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, “তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনের ওপর সরকারের কোনো বাধা নেই।” তিনি আরও জানান, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টা ইতোমধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং তাঁর সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।
এর আগে আজ সকালে তারেক রহমান তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গুরুতর অসুস্থ মাকে নিয়ে আবেগঘন একটি পোস্ট দেন। সেখানে তিনি উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত আকাঙ্ক্ষা থাকা সত্ত্বেও দেশে ফেরার বিষয়ে সিদ্ধান্ত তাঁর জন্য “অবারিত বা একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।”
তিনি আশা প্রকাশ করেন যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে তিনি দেশে ফিরতে পারবেন। স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, “স্পর্শকাতর এই বিষয়ে বিস্তারিত বলার সুযোগ সীমিত। তবে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক বাস্তবতা পূরণ হলেই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দীর্ঘদিনের অপেক্ষা শেষ হবে বলে আমাদের পরিবার আশাবাদী।”
গত ২৩ নভেম্বর রাতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন বেগম খালেদা জিয়া। খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস এবং চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। তার শয্যাপাশে আছেন ছোট ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান এবং খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান জানিয়েছেন, বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে চিকিৎসা করানোর সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। তবে তার শারীরিক অবস্থা বিদেশে নেওয়ার মতো হলে তাকে নিয়ে যাওয়া হবে।
তিনি জানান, আমেরিকা ও ইংল্যান্ডের ডাক্তারদের সাথে বাংলাদেশের ডাক্তাররা এভারকেয়ার হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা ক্লান্তিহীন ম্যাডামের চিকিৎসায় আছেন।#
পার্সটুডে/এমএআর/২৯