ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান নৈরাজ্যকারীদের কোনোরকম ছাড় দেবে না: সর্বোচ্চ নেতা
https://parstoday.ir/bn/news/event-i155938-ইসলামি_প্রজাতন্ত্র_ইরান_নৈরাজ্যকারীদের_কোনোরকম_ছাড়_দেবে_না_সর্বোচ্চ_নেতা
পার্সটুডে-ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন: সবার জানা উচিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে, নৈরাজ্যকারীদের মোকাবেলায় কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না।"
(last modified 2026-02-02T11:24:58+00:00 )
জানুয়ারি ১০, ২০২৬ ১৭:১২ Asia/Dhaka
  • সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী
    সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী

পার্সটুডে-ইরানের ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা বলেছেন: সবার জানা উচিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে, নৈরাজ্যকারীদের মোকাবেলায় কোনোরকম ছাড় দেওয়া হবে না।"

বার্তা সংস্থা ইরনা'র উদ্ধৃতি দিয়ে পার্সটুডে আরও জানায়, দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো উল্লেখ করে সর্বোচ্চ নেতা গুরুত্বের সাথে বলেন, পাহলভি শাসনের বিরুদ্ধে ইমাম খোমেনি (রহ)'র সমর্থনে ১৯৭৭ সালে কোমের জনগণ বিদ্রোহ করেছিল। ওই বিদ্রোহের বার্ষিকী উপলক্ষে ওই শহরের বিভিন্ন স্তরের হাজার হাজার মানুষ ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতার সাথে দেখা করার জন্য আজ (শুক্রবার) সকালে খোমেনি হোসেইনিয়ায় সমবেত হয়েছেন। ইসলামী বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী ওই বৈঠকে দেশের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কথা উল্লেখ করে বলেছেন: গত রাতে তেহরানে, মুষ্টিমেয় দুর্বৃত্ত এসে নিজের দেশের বিভিন্ন স্থাপনা ও ভবন ধ্বংস করেছে  যাতে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হৃদয়মনে আনন্দ ছড়িয়ে যায়। তিনি বলেন: তার নিজের দেশেই অসংখ্য ঘটনা ঘটছে। তার হাত এক হাজারেরও বেশি ইরানির রক্তে দূষিত।

সাম্প্রতিক ১২ দিনের যুদ্ধে, প্রবীণ এবং চিন্তাবিদ ছাড়াও আমাদের এক হাজারেরও বেশি মানুষ শহীদ হয়েছেন। এই লোক বলেছে-আমি আদেশ দিয়েছি এবং নিজেই স্বীকার করেছে যে তার হাত ইরানিদের রক্তে রঞ্জিত।

মুষ্টিমেয় কিছু অনভিজ্ঞ, উদাসীন এবং চিন্তাহীন মানুষ বিশ্বাস করে ও মানে এমনকি তার আদেশে  কাজও করে। এই লোকগুলো তার ভালো লাগার জন্য ট্র্যাশ ক্যানে আগুন জ্বালায়।

তাদের যে গডফাদার অহংকার ও গর্বের সাথে নিজের জায়গায় বসে সমগ্র বিশ্বের বিচার করেন তারও জেনে রাখা উচিত যে সাধারণত ফেরাউন, নমরুদ, রেজা খান, মোহাম্মদ রেজা'র মতো বিশ্বের অত্যাচারী এবং অহংকারী শাসকরা যখনই তাদের গর্ব ও ক্ষমতা একেবারে শীর্ষে উঠে গিয়েছিল তখনই তাদের পতন হয়েছিল। এরও পতন ঘটবে।

বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা জোর দিয়ে বলেন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন যে তিনি নাকি ইরানীদের পক্ষে, মুষ্টিমেয় অনভিজ্ঞ মানুষ বিশ্বাস করে এবং ডাস্টবিনের আবর্জনা পোড়ায়, যাতে ট্রাম্প খুশি হয়। সবার জেনে রাখা উচিত ইসলামি প্রজাতন্ত্র কয়েক লাখ সম্মানিত লোকের শহীদি রক্তে অর্জিত হয়েছে। সুতরাং নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী দুর্বৃত্তদের কিংবা বিদেশীদের ভাড়াটেদের সহ্য করা হবে না। যে কেউ বিদেশিদের ভাড়াটে হিসেবে কাজ করবে তাকেই দেশদ্রোহী হিসেবে গণ্য করা হবে। আপনি যে-ই হন না কেন, বিদেশিদের ভাড়াটে হয়ে গেছেন, বিদেশীদের জন্য কাজ করেছেন, তো জাতি আপনাকে প্রত্যাখ্যান করবে, ইসলামী শাসনব্যবস্থা আপনাকে প্রত্যাখ্যান করবে।

প্রিয় যুবকেরা, তোমাদের ধর্মকে, তোমাদের রাজনৈতিক চিন্তাকে, তোমাদের উপস্থিতিকে, তোমাদের প্রস্তুতিকে, দেশের উন্নয়নের জন্য সংরক্ষণ করো, কাজে লাগাও, তোমাদের ঐক্য বজায় রাখো। ঐক্য বজায় রাখো। ঐক্যবদ্ধ জাতি সকল প্রকার শত্রুকেই পরাস্ত করে।#

পার্সটুডে/এনএম/৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন