তারেক রহমানকে ভারত,পাকিস্তান, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিনন্দন
-
তারেক রহমান
বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি জয় পাওয়ার পর আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে অভিনন্দনের বার্তা। ভারত, পাকিস্তান, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে এবং নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বাংলাদেশের নির্বাচনে বিএনপির জয়কে ‘জনগণের আস্থার প্রতিফলন’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি লেখেন, “সংসদীয় নির্বাচনে বিএনপির জয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি তারেক রহমানকে উষ্ণ অভিনন্দন জানাচ্ছি। ভারত একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে যাবে এবং দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন ও সম্পর্ক জোরদারে নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী।”
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফও বাংলাদেশের নির্বাচনে বিএনপির ‘অভূতপূর্ব জয়ের’ জন্য তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। শুক্রবার এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি সফল নির্বাচন আয়োজনের জন্য বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানান এবং নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদার করে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা রাখে পাকিস্তান।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রও বিএনপি ও তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়েছে। শুক্রবার সকালে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়া বাংলাদেশের জনগণের রাজনৈতিক সচেতনতা ও অংশগ্রহণের প্রতিফলন। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের অংশীদারত্ব আরও জোরদার হবে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও নিরাপত্তা ইস্যুতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে।
এ ছাড়া চীনও বিএনপিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শুক্রবার ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে জানায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে এবং নির্বাচনে এগিয়ে থাকার জন্য বিএনপিকেও শুভেচ্ছা জানানো হচ্ছে। পোস্টে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করে চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন অধ্যায় শুরু করতে তারা আগ্রহী।
একাধিক প্রভাবশালী দেশের এই অভিনন্দন বার্তাকে কূটনৈতিক মহলে নতুন সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সহযোগিতার ইতিবাচক ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।#
পার্সটুডে/এমএআর/১৩