ব্রিটেনে শিশু নির্যাতন কেলেঙ্কারি; পাশ্চাত্যের সর্বত্র এপস্টিনের প্রেতাত্মার উপস্থিতি
https://parstoday.ir/bn/news/event-i157020-ব্রিটেনে_শিশু_নির্যাতন_কেলেঙ্কারি_পাশ্চাত্যের_সর্বত্র_এপস্টিনের_প্রেতাত্মার_উপস্থিতি
পার্সটুডে- বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে ব্রিটেনে এক কিন্ডারগার্টেন প্রশিক্ষকের দণ্ডাদেশের কথা উল্লেখ করে পশ্চিমা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের নিরাপত্তা ইস্যুটি আবারও জনমতের কেন্দ্রবিন্দুতে তুলে ধরেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরণের মামলার কারণে এই বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক রূপ ধারণ করেছে।
(last modified 2026-02-15T09:18:35+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬ ১৯:০০ Asia/Dhaka
  • ব্রিটেনে শিশু নির্যাতন কেলেঙ্কারি; পাশ্চাত্যের সর্বত্র এপস্টিনের প্রেতাত্মার উপস্থিতি
    ব্রিটেনে শিশু নির্যাতন কেলেঙ্কারি; পাশ্চাত্যের সর্বত্র এপস্টিনের প্রেতাত্মার উপস্থিতি

পার্সটুডে- বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে ব্রিটেনে এক কিন্ডারগার্টেন প্রশিক্ষকের দণ্ডাদেশের কথা উল্লেখ করে পশ্চিমা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিশুদের নিরাপত্তা ইস্যুটি আবারও জনমতের কেন্দ্রবিন্দুতে তুলে ধরেছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধরণের মামলার কারণে এই বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক রূপ ধারণ করেছে।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটেনে ৪৫ বছর বয়সী কিন্ডারগার্টেন প্রশিক্ষক ভিনসেন্ট চ্যানকে ২ থেকে ৪ বছর বয়সী চার শিশুকে যৌন নিপীড়ন এবং সেই নির্যাতনের ছবি ও ভিডিও ধারণের অভিযোগে ১৮ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তিনি মোট ৫৬টি অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন, যার মধ্যে যৌন নিপীড়ন এবং অশ্লীল ছবি তৈরির অভিযোগও রয়েছে। এই রায়টি উড গ্রিন ক্রাউন কোর্টে দেওয়া হয়। লন্ডনের মেট্রোপলিটন পুলিশ জানিয়েছে, তার ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ অপরাধমূলক ছবি ও ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে, যার একটি অংশ তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কাজ করার সময়কার বলেও বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

বিবিসিও তাদের প্রতিবেদনে ভুক্তভোগী শিশুদের অভিভাবকদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, তারা আগেই ভিনসেন্ট চ্যানের আচরণ সম্পর্কে কিন্ডারগার্টেন কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার বদলে তাদের উপেক্ষা করা হয় এমনকি তাদেরকে দূরে সরিয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনাটি লন্ডন শহরে ঘটেছে—যে শহরটি গণমাধ্যমে উচ্চমানের তদারকি ও সুরক্ষা ব্যবস্থার প্রতীক হিসেবে উপস্থাপিত হয়। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রগুলোতে এ ধরনের ঘটনার প্রকাশ পশ্চিমা দেশগুলোর যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া, ধারাবাহিক নজরদারি এবং শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তোলে।

এর আগেও জেফরি এপস্টিনের মতো কেলেঙ্কারি এই বাস্তবতা তুলে ধরেছে যে, ব্যাপক প্রচার ও মানবাধিকার রক্ষার দাবির পরেও পশ্চিমা সমাজের বিভিন্ন স্তরে শিশু নির্যাতনের সংকট বিদ্যমান থাকতে পারে। এ ধরনের কেলেঙ্কারির পুনরাবৃত্তি পশ্চিমা সমাজের কাঠামোগত সংস্কার, প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা এবং আরও কঠোর জবাবদিহিতার প্রয়োজনীয়তাকে সামনে আনছে। এসবের মধ্যদিয়ে শিশু অধিকারের অগ্রদূত বলে দাবিদার পশ্চিমা বিশ্বের মেকি খোসলটা ক্রমেই সরে পড়ছে।#  

পার্সটুডে/এসএ/১৪