‘এপস্টেইন টিমের অবশিষ্টাংশ ইরানের বিরুদ্ধে ১১ সেপ্টেম্বরের অনুরূপ ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করছে’
https://parstoday.ir/bn/news/event-i157826-এপস্টেইন_টিমের_অবশিষ্টাংশ_ইরানের_বিরুদ্ধে_১১_সেপ্টেম্বরের_অনুরূপ_ষড়যন্ত্রের_চেষ্টা_করছে’
পার্স-টুডে: ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উচ্চ-পরিষদের সচিব ডক্টর আলী লারিজানি বলেছেন: শুনেছি এপস্টেইন টিমের অবশিষ্ট সদস্যরা ১১ সেপ্টেম্বরের মত ঘটনা সৃষ্টি করে ওই ঘটনার জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করার ষড়যন্ত্র করছে। 
(last modified 2026-03-17T09:43:10+00:00 )
মার্চ ১৬, ২০২৬ ১১:৪৩ Asia/Dhaka
  • ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উচ্চ-পরিষদের সচিব ডক্টর আলী লারিজানি
    ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উচ্চ-পরিষদের সচিব ডক্টর আলী লারিজানি

পার্স-টুডে: ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উচ্চ-পরিষদের সচিব ডক্টর আলী লারিজানি বলেছেন: শুনেছি এপস্টেইন টিমের অবশিষ্ট সদস্যরা ১১ সেপ্টেম্বরের মত ঘটনা সৃষ্টি করে ওই ঘটনার জন্য ইরানকে অভিযুক্ত করার ষড়যন্ত্র করছে। 

পার্স-টুডে জানিয়েছে, সামাজিক মাধ্যমে নিজের পাতায় এই ষড়যন্ত্রের কথা তুলে ধরে নিজের গভীর উদ্বেগের কথা প্রকাশ করে আলী লারিজানি লিখেছেন, ইরান নীতিগতভাবে এ ধরনের সন্ত্রাস বা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরোধী এবং দেশটি মার্কিন জনগণের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত নয়।

লারিজানি লিখেছেন, ইসলামী ইরান শান্তি ও নিরাপত্তার নিজস্ব নীতিতে সব সময়ই অবিচল এবং উত্তেজনা সৃষ্টি ও মিথ্যা অভিযোগ করার নিন্দা জানায়। ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা উচ্চ-পরিষদের সচিব স্পষ্টভাবে বলেছেন, বর্তমানে ইরান মার্কিন ও ইসরায়েলি আগ্রাসন মোকাবেলা করছে এবং অবশ্য এই প্রতিরক্ষায় ইরান বেশ কঠোর ও শক্তিশালী যাতে আগ্রাসীরা শিক্ষা পায়। 

উল্লেখ্য, জেফ্রি এপস্টেইনের  এপস্টেইন-চক্রের যৌন কেলেঙ্কারিকে শতাব্দির সবচেয়ে বড় যৌন কেলেঙ্কারি বলে মনে করা হয় যাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পসহ বহু বিশিষ্ট মার্কিন ও পশ্চিমা নেতৃবৃন্দ এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা জড়িত। ট্রাম্পসহ এ কেলেঙ্কারিতে জড়িত বহু বিশিষ্ট পশ্চিমা নেতা ও ব্যক্তিত্ব অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ে ও শিশুদের সঙ্গে যৌনাচারে লিপ্ত হয়েছেন বলে নানা তথ্য ফাঁস হয়েছে এবং যৌনাচারের শিকার অনেক শিশুকে হত্যা করা হয় বলে মামলাটির ব্যাপক সাক্ষ্য-প্রমাণযুক্ত তথ্য প্রকাশ হয়েছে।

অন্যদিকে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের যে সন্দেহজনক ও রহস্যময় হামলায় টুইনটাওয়ার ও পেন্টাগন বিমান হামলার শিকার হয় তাতে ইহুদিবাদী ইসরায়েল জড়িত ছিল বলে মনে করা হয় এবং ওই হামলাকে অজুহাত করে তৎকালীন মার্কিন নেতৃবৃন্দ আফগানিস্তান ও ইরাকে আগ্রাসন চালায় এবং দেশ দু'টিতে দখলদারিত্ব কায়েম করে। #

পার্স টুডে/এমএএইচ/১৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।