গাজায় “গণহত্যা”র অন্যতম প্রধান দিক হল শিশুদের ওপর ইচ্ছাকৃত হত্যাযজ্ঞ
ফিলিস্তিনি শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার প্রমাণ রয়েছে: জাতিসংঘ
-
ফিলিস্তিনি শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যার প্রমাণ রয়েছে: জাতিসংঘ
পার্সটুডে— জাতিসংঘের এক নতুন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দখলদার ইসরায়েলি বাহিনী ফিলিস্তিনি শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে প্রাণঘাতী হামলার লক্ষ্যবস্তু করেছে— এমন প্রমাণ পাওয়া গেছে। জাতিসংঘের মতে, গাজায় “গণহত্যার উদ্দেশ্য” ছিল কি না, তা মূল্যায়নের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
ইরনার বরাতে পার্সটুডে জানিয়েছে, জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক স্বাধীন তদন্ত কমিশন বা United Nations Independent International Commission of Inquiry-এর গবেষকদের প্রকাশিত এক নতুন প্রতিবেদনে মঙ্গলবার বলা হয়েছে যে, ইসরায়েলি বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে ফিলিস্তিনি শিশুদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। গবেষকদের মতে, এটি গাজায় সংঘটিত জাতিগত নির্মূল অভিযান বা “গণহত্যা”-র অন্যতম প্রধান মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এই বিষয়টি “গাজায় ফিলিস্তিনিদের নির্মূল করার উদ্দেশ্যে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ ও নিরাপত্তা বাহিনীর গণহত্যামূলক অভিপ্রায়” প্রমাণে একটি গুরুত্বপূর্ণ চলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তিন সদস্যের এই তদন্ত দল এর আগেও এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছিল যে, গাজা যুদ্ধে ইসরায়েল জাতিগত নির্মূল অভিযান বা “গণহত্যা” সংঘটিত করেছে।
গবেষকরা আরও বলেন, ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ব্যাপকতা ও সামরিকীকৃত চরিত্র এখনও অব্যাহত রয়েছে এবং এর ফলে ফিলিস্তিনি শিশুদের মধ্যে মৃত্যু, আহত হওয়া এবং মানসিক ক্ষতির মাত্রা “অভূতপূর্ব” পর্যায়ে পৌঁছেছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এমন যুক্তিসঙ্গত ভিত্তি রয়েছে যার মাধ্যমে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় যে ইসরায়েলি দখলদার কর্তৃপক্ষ ও নিরাপত্তা বাহিনী গাজায় গণহত্যার অপরাধ সংঘটন অব্যাহত রেখেছে।
জাতিসংঘ অতীতেও ইহুদিবাদী ইসরায়েলকে শিশ-ঘাতক শাসকগোষ্ঠীর তালিকাভুক্ত করেছে। #
পার্স টুডে/এমএএইচ/২৩
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।