মার্কিন-ইসরায়েলি যুদ্ধ চলাকালেই আরও উন্নত অস্ত্র তৈরি করেছে ইরান: সেনা-মুখপাত্র
https://parstoday.ir/bn/news/event-i160834-মার্কিন_ইসরায়েলি_যুদ্ধ_চলাকালেই_আরও_উন্নত_অস্ত্র_তৈরি_করেছে_ইরান_সেনা_মুখপাত্র
পার্সটুডে: ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সর্বশেষ আগ্রাসী যুদ্ধ চলাকালেই ইরান আরও উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।
(last modified 2026-06-28T14:12:03+00:00 )
জুন ২৮, ২০২৬ ১৯:৫৭ Asia/Dhaka
  • ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া
    ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া

পার্সটুডে: ইরানের সেনাবাহিনীর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সর্বশেষ আগ্রাসী যুদ্ধ চলাকালেই ইরান আরও উন্নত সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে।

আজ (রোববার) তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, ‘রমজান যুদ্ধ’-এর শেষ দিকে ইরানের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী নতুন ধরনের ড্রোন ব্যবহার করেছে, যেগুলোর গবেষণা ও উন্নয়ন (R&D) যুদ্ধের আগেই শুরু হয়েছিল।

তিনি বলেছেন, “আমরা যুদ্ধ চলাকালেই এসব ড্রোনকে কার্যক্রমে যুক্ত করতে সক্ষম হয়েছি।

তিনি আরও বলেছেন, “এ ছাড়া সেনাবাহিনী ও ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) যে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ব্যবহার করেছে, সেগুলোকেও আমরা আরও উন্নত করেছি এবং অনেক উচ্চমানের প্রযুক্তিতে তৈরি করেছি। এতে প্রমাণ হয় যে, বিদ্যমান সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করার পাশাপাশি আমরা গবেষণা ও উন্নয়নের কাজও অব্যাহত রেখেছিলাম।

সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, দেশীয়ভাবে অস্ত্র উৎপাদন এবং বন্ধু দেশগুলো থেকে আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম সংগ্রহ—এই দুই ক্ষেত্রেই ইরানের সেনাবাহিনী গুরুত্বের সঙ্গে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র উৎপাদনে ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর অগ্রগতির বিষয়ে তিনি বলেন, “যুদ্ধের শেষ দিকে আমরা যে ড্রোনগুলোর উন্মোচন করেছি, সেগুলো আগের প্রজন্মের ‘আরাশ-২’-এর মতো ড্রোনের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত। খুব শিগগিরই আমরা প্রিয় ইরানি জাতিকে এসব ড্রোনের সক্ষমতা সম্পর্কে জানাব। নিরাপদ ও আরও শক্তিশালী ভবিষ্যৎ গড়তে আমরা এই বড় প্রযুক্তিগত অগ্রগতি কাজে লাগাব।

উল্লেখ্য গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে তাদের দ্বিতীয় দফার সামরিক আগ্রাসন শুরু করে। ওই হামলায় ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলী খামেনেয়ী এবং দেশটির কয়েকজন শীর্ষ সামরিক কমান্ডার শহীদ হন।

এর জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী ৪০ দিন ধরে ১০০ দফা পাল্টা হামলা চালায়। এসব হামলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করা হয় এবং উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হয়।

১৫ জুন ওয়াশিংটন ও তেহরান পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি সমঝোতা ঘোষণা করে। এই সমঝোতার লক্ষ্য ছিল লেবাননসহ বিভিন্ন ফ্রন্টে সামরিক অভিযান বন্ধ করা, হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়া এবং ইরানের ওপর আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করা। #
 

পার্স টুডে/এমএএইচ/২৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।