ওয়াশিংটন পোস্টের খবর:
'ইরানের শীর্ষ আলোচকদের হত্যার ইসরায়েলি ষড়যন্ত্র সম্পর্কে তেহরানকে সতর্ক করেছিল যুক্তরাষ্ট্র'
-
গত ২১ জুন, ২০২৬ তারিখে সুইজারল্যান্ড আলোচনায় ইরানি শীর্ষ আলোচক মো. বাকের কালিবফ ও আব্বাস আরাকচি (ফাইল ছবি)
পার্সটুডে: গত বসন্তকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সন্দেহ করেছিলেন যে, ইহুদিবাদী ইসরায়েল ইরানের শীর্ষ আলোচকদের হত্যার পরিকল্পনা করছে। এ কারণে তেহরানকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে একটি বার্তা পাঠানো হয়েছিল বলে দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসও এই একই বিষয়ে খবর প্রকাশ করেছে।
ওয়াশিংটন পোস্ট বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত বর্তমান ও সাবেক মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন যখন ইরানের যুদ্ধের অবসান এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করার লক্ষ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তির চেষ্টা চালাচ্ছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তারা আশঙ্কা করেছিলেন যে ইসরায়েল ইরানের প্রধান আলোচকদের হত্যা করতে পারে।
কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি এবং দেশটির পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফ-কে হত্যার সম্ভাবনার বিরোধিতায় ওয়াশিংটনের অবস্থান এতটাই দৃঢ় ছিল যে, যুক্তরাষ্ট্র বসন্তকালে একটি ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ গ্রহণ করে। তারা মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইরানকে ইসরায়েলের সম্ভাব্য হত্যাচক্রান্ত সম্পর্কে সতর্ক করে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণের পরামর্শ দেয়।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে আরব ও মুসলিম জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের বিভিন্ন পদক্ষেপকে সমর্থন দিয়ে এসেছে। তবে সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের সামরিক সক্ষমতা ও দৃঢ় অবস্থানের কারণে ওয়াশিংটন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে ঘিরে সৃষ্ট সংকটের কূটনৈতিক সমাধান খুঁজতে বাধ্য হয়েছে।
এ প্রেক্ষাপটে, ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার বিরোধিতাকারী ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-র অবস্থানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থের অমিল দেখা দিতে পারে। অন্যদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে একটি সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন করার ব্যাপারে আগ্রহ দেখিয়েছেন। #
পার্স টুডে/এমএএইচ/০৩
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।