'তেহরানের বাণিজ্য-শরিক দেশগুলো কার্যত এই হুমকি উপেক্ষা করেছে'
ইরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার অর্থনৈতিক হুমকিকে বিশ্ব গুরুত্ব দেয়নি: মার্কিন সাময়িকী
-
মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট
পার্সটুডে: মার্কিন সাময়িকী ফরচুন একটি নিবন্ধে বিভিন্ন প্রমাণ-উপাত্তের উল্লেখ করে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক হুমকিকে বিশ্ব তেমন গুরুত্ব দেয়নি।
ইরানি সংবাদ সংস্থা আইআরআইবি-র বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ফরচুন ইরানের বিরুদ্ধে ‘অর্থনৈতিক আক্রমণ’ চালানোর বিষয়ে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্টের কঠোর বক্তব্যকে সামরিক যুদ্ধ অবসান ঘটানোর নতুন একটি প্রচেষ্টা হিসেবে বর্ণনা করেছে। সাময়িকীটি আরও লিখেছে, এখন পর্যন্ত তেহরানের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে—এমন দেশগুলো কার্যত এই হুমকি উপেক্ষা করেছে। একই সঙ্গে বিশ্লেষকরাও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে বেসেন্টের ঘোষিত প্রতিশ্রুতির তুলনায় অনেক কম কার্যকর বলে মূল্যায়ন করেছেন।
সাময়িকীটি আরও বলেছে, ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ তেল ক্রয়কারী তথা আমদানিকারী চীন ওয়াশিংটনের চাপে পিছু হটার পরিবর্তে যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট ও কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে। দুবাইয়ে ইরানি ব্যাংকগুলোর শাখাও চালু রয়েছে। ইরান ও তুরস্কের মধ্যে এবং ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যেও বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচল অব্যাহত রয়েছে। থাইল্যান্ড ও আজারবাইজানগামী ফ্লাইটের পাশাপাশি রাশিয়া ও চীনের বেশ কয়েকটি গন্তব্যের ফ্লাইটও কোনো বিঘ্ন ছাড়াই চলেছে।
ফরচুন আরও বলেছে, সপ্তাহের শেষ দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করেছে যে তারা সংযুক্ত আরব আমিরাতে মিশরের ‘ব্যাংক মিশর’-এর শাখাগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে চায়। তবে বেসেন্টের সতর্কবার্তার পর যে ধরনের পদক্ষেপের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, এটি তার তুলনায় অনেক কম ছিল। বেসেন্ট বলেছিলেন, সপ্তাহের শেষ নাগাদ বিশ্ব ‘একটি বড় আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণার’ সাক্ষী হবে।
সাময়িকীটি আরও বলেছে, বেসেন্টের হুমকি এবং বিভিন্ন দেশের তুলনামূলকভাবে তা উপেক্ষা করার বিষয়টি নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ইরানকে ওয়াশিংটনের দাবি মেনে নিতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রধান সমস্যাটিই স্পষ্ট করে তুলেছে। #
পার্সটুডে/এমএআর/৩১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।