আমেরিকার শাসনভার থেকে দুর্বৃত্তদের তাড়িয়ে চিন্তাবিদদের হাতে দিন: আইআরজিসির খোলা-চিঠি
https://parstoday.ir/bn/news/event-i163530-আমেরিকার_শাসনভার_থেকে_দুর্বৃত্তদের_তাড়িয়ে_চিন্তাবিদদের_হাতে_দিন_আইআরজিসির_খোলা_চিঠি
পার্সটুডে: ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মার্কিন জনগণের উদ্দেশে এক খোলা চিঠিতে লিখেছে: “দুর্বৃত্ত, শিশুহত্যাকারী, লম্পট ও নির্বোধ সরকারকে সরিয়ে দিন। দুর্বৃত্তদের পরিবর্তে নিজেদের বিষয়াদি চিন্তাবিদদের হাতে তুলে দিন এবং তাদের স্মরণ করিয়ে দিন যে পৃথিবী বদলে গেছে।”
(last modified 2026-09-30T05:57:30+00:00 )
সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬ ১০:৫৪ Asia/Dhaka
  • আমেরিকার শাসনভার থেকে দুর্বৃত্তদের তাড়িয়ে চিন্তাবিদদের হাতে দিন: আইআরজিসির খোলা-চিঠি
    আমেরিকার শাসনভার থেকে দুর্বৃত্তদের তাড়িয়ে চিন্তাবিদদের হাতে দিন: আইআরজিসির খোলা-চিঠি

পার্সটুডে: ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মার্কিন জনগণের উদ্দেশে এক খোলা চিঠিতে লিখেছে: “দুর্বৃত্ত, শিশুহত্যাকারী, লম্পট ও নির্বোধ সরকারকে সরিয়ে দিন। দুর্বৃত্তদের পরিবর্তে নিজেদের বিষয়াদি চিন্তাবিদদের হাতে তুলে দিন এবং তাদের স্মরণ করিয়ে দিন যে পৃথিবী বদলে গেছে।”

ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) মার্কিন জনগণের উদ্দেশে দেয়া এক চিঠিতে ঘোষণা করেছে: “যারা এই অশুভ পরিণতি পরিবর্তন করতে পারে, তারা হলেন আপনারাই তথা মার্কিন জনগণ। ফিলিস্তিন দখলকারীদের থেকে নিজেদের আলাদা করুন। অনিবার্যভাবে তাদের সেখান থেকে চলে যেতে হবে এবং নিজেদের দেশে ফিরে যেতে হবে। আমরা পরস্পরের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করতে পারি।”

‘সিপাহ নিউজ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিঠির পরবর্তী অংশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে: “দুর্বৃত্ত, শিশুহত্যাকারী, লম্পট ও নির্বোধ সরকারকে সরিয়ে দিন। দুর্বৃত্তদের পরিবর্তে নিজেদের বিষয়াদি চিন্তাবিদদের হাতে তুলে দিন এবং তাদের স্মরণ করিয়ে দিন যে পৃথিবী বদলে গেছে।”

বেয়নেটের জোরে জাতিগুলোর সম্পদ লুটের যুগ শেষ হয়েছে

আইআরজিসি আরও জোর দিয়ে বলেছে: “বিশ্বের মানুষ জেগে উঠেছে এবং বেয়নেটের জোরে জাতিগুলোর সম্পদ লুটের যুগ শেষ হয়ে গেছে। এই শতাব্দী হলো জাতিগুলোর ইচ্ছাশক্তির বিজয়ের শতাব্দী। এই অমানবিক পথ অব্যাহত থাকলে আমেরিকার জন্য বেদনাদায়ক পরিণতি অপেক্ষা করছে। কারণ নিপীড়িতের জালিমের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর দিনটি জালিমের নিপীড়িতের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর দিনের চেয়ে অনেক বেশি কঠিন হবে।”

চিঠির অন্য একটি অংশে বলা হয়েছে: “সাত মাস আগে, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এবং একটি যুদ্ধাপরাধের মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী বাহিনী ইরানের মিনাবের শাজারেহ তাইয়্যেবা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলা চালিয়ে ১৯৮ জন স্কুলশিশুকে হত্যা করে। একই সময়ে ইসলামি বিপ্লবের নেতা ইমাম সাইয়্যেদ আলি খামেনেয়ীর কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের—যাদের মধ্যে তাঁর ১৪ মাস বয়সী নাতিও ছিলেন—শহীদ করার মাধ্যমে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। এ যুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৩,৬০০ জনেরও বেশি মানুষ, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক এবং তাদের মধ্যে ৪০০ শিশু রয়েছে, শহীদ হয়েছেন। এছাড়া ৮টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৩টি হাসপাতাল ও ৮টি স্কুলে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে।”

আইআরজিসি চিঠিতে আরও বলেছে: “এই যুদ্ধে নজিরবিহীন অন্যায় ও অপরাধ সত্ত্বেও আমেরিকা ও ইসরায়েল কঠিন পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে এবং ইসলামি বিপ্লব চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেছে।”

মার্কিন জনগণ ওয়াশিংটনের যুদ্ধগুলোর চিরস্থায়ী শিকার

চিঠিতে আরও জোর দিয়ে বলা হয়েছে: “আমেরিকার অন্তহীন যুদ্ধগুলোর ইতিহাসে বাস্তবতা বা সত্যই প্রথম শিকার হয়েছে এবং মার্কিন জনগণ এসব যুদ্ধের চিরস্থায়ী শিকার। এসব যুদ্ধের ব্যয় বহন করেন মার্কিন করদাতারা। তাই তাদের কাছ থেকে যে সত্যগুলো গোপন রাখা হয়, সেগুলো জানার অধিকার তাদের রয়েছে। আসুন, কয়েকটি প্রশ্ন দিয়ে শুরু করি।”

এরপর আইআরজিসি মার্কিন জনগণের উদ্দেশে কয়েকটি প্রশ্ন তুলে ধরেছে: “ইরান কেন বিজয়ী হলো এবং বার্ষিক বাজেট ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর তুলনায় একশ গুণ বেশি এবং অস্ত্র ও সরঞ্জাম শত শত গুণ বেশি থাকা সত্ত্বেও মার্কিন সামরিক বাহিনী কেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে পরাজিত হলো? ইরানিরা কি মার্কিন জনগণের সঙ্গে শত্রুতা পোষণ করে? যদি না করে, তাহলে ইরানের জনগণ কেন ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগান দেয়? আইআরজিসি সন্ত্রাসী—মার্কিন সরকারের এই দাবি কি সঠিক? ইরানের জনগণের ওপর নিজেদের আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য মার্কিন সরকারের ৪৮ বছরব্যাপী ব্যাপক প্রচেষ্টা কেন বারবার ব্যর্থ হচ্ছে? বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে মার্কিন সরকার কেন দ্রুত অবক্ষয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে? এই যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে? মার্কিন জনগণ কীভাবে অন্যায় আগ্রাসনের পরিণতি থেকে নিজেদের রক্ষা করতে এবং সামনে ধেয়ে-আসা পতন থেকে মুক্তি পেতে পারে?”

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে: “এসব বিষয়ই আমরা এই চিঠিতে আন্তরিকভাবে আপনাদের সঙ্গে আলোচনা করতে চাই। আমাদের বক্তব্যের সত্যতা নিয়ে যদি আপনাদের সন্দেহ থাকে, তাহলে ইরানের যেকোনো স্থানে—এমনকি হরমুজ প্রণালিতেও—আপনার পছন্দমতো একটি সংক্ষিপ্ত সফরে এসে আমাদের বক্তব্যের সত্যতা নিজেরাই যাচাই করতে পারেন।”


উল্লেখ্য ইসলামি বিপ্লব রক্ষীবাহিনী (আইআরজিসি) এই সপ্তাহে মার্কিন জনগণের প্রতি ২৬ পৃষ্ঠার এই খোলা চিঠি প্রকাশ করেছে, যেখানে মার্কিন জনগণকে নিজেদের সরকারের পররাষ্ট্রনীতি থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার এবং পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন যুদ্ধ সম্পর্কে তাদের যা বলা হয়েছে তা পুনর্বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

চিঠিটি শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশ্যে লেখা। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন জনগণ ইরানের প্রতিরোধের লক্ষ্য নয়। বরং লক্ষ্য হলো এমন একটি রাজনৈতিক শ্রেণি, যা যুদ্ধকে ব্যবসায় পরিণত করে এবং দেশের শক্তিকে অঞ্চলের জনগণ ও নিজ দেশের জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, "হোয়াইট হাউসে যারা ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত, তারা ইরানি ও মার্কিন—উভয় জনগণের ওপরই অত্যাচার করে।"

চিঠিটি আইআরজিসির জনসংযোগ দপ্তরের স্বাক্ষরিত এবং ইংরেজি ও ফারসি ভাষায় প্রচারিত হয়েছে। এর মূল বার্তা হলো, ইরান সম্পর্কে এবং অঞ্চলে নিজেদের সরকারের ভূমিকা সম্পর্কে মার্কিনিদের বিভ্রান্ত করা হয়েছে।

চিঠির বড় একটি অংশে মার্কিনিদের "মার্কিন যুদ্ধযন্ত্র" থেকে নিজেদের আলাদা করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা যেন এমন গবেষণা ও গণমাধ্যমে কাজ প্রত্যাখ্যান করে যা বেসামরিক নাগরিক হত্যাকারী হামলা পরিকল্পনা বা ন্যায্যতা প্রদানে সহায়তা করে। এতে আরও বলা হয়েছে, এমন নীতির মুখে নিরবতা মার্কিনিদের তাদের নামে নেয়া সিদ্ধান্তে সহযোগী করে তোলে। চিঠিতে লেখা আছে, "এটি মার্কিনিদের প্রতি শত্রুতার আহ্বান নয়, বরং তাদের দেশের নেতাদের জবাবদিহির আওতায় আনার আহ্বান।"

এরপর চিঠিতে ঐতিহাসিক অভিযোগের তালিকা দেওয়া হয়েছে, যা ইরান-মার্কিন সম্পর্কের শত্রুতাপূর্ণ প্রকৃতির ব্যাখ্যা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এটি শুরু হয় ১৯৫৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ইরানে সংঘটিত অভ্যুত্থান দিয়ে, যা একটি স্বৈরশাসককে ক্ষমতায় বসায় এবং কয়েক দশকের শত্রুতার শিকড় তৈরি করে। এতে ইরান-ইরাক যুদ্ধের দিকে ইঙ্গিত করা হয়, যা ব্যাখ্যা করা হয়েছে সাদ্দাম হুসাইনের মাধ্যমে ইরানের নতুন সরকার ধ্বংস করার মার্কিন-সমর্থিত প্রচেষ্টা হিসেবে। চিঠিতে ১৯৮৮ সালে ইউএসএস ভিনসেনেস কর্তৃক ইরান এয়ার ফ্লাইট ৬৫৫ গুলি করে ভূপাতিত করার ঘটনাও উল্লেখ করা হয়, যে অপরাধে জড়িতদের শাস্তির বদলে পুরস্কৃত করা হয়েছিল।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, মার্কিন অপরাধী নীতিগুলো নিষেধাজ্ঞা, গোপন অভিযান এবং ইরানবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সমর্থনের মাধ্যমে অব্যাহত রয়েছে। এতে মার্কিনিদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, তারা যেন "নিজেদের গণমাধ্যম ও রাজনীতিবিদদের কাছ থেকে ইরান সম্পর্কে যা শুনেছে, তার সঙ্গে এই ইতিহাস মিলিয়ে দেখে।"

মার্কিন সরকার কর্তৃক আইআরজিসি-কে "সন্ত্রাসী" সংগঠন হিসেবে অভিহিত করা বা ট্যাগ দেয়া সম্পর্কে এ চিঠিতে বলা হয়েছে, আইআরজিসি এই লেবেলকে ওয়াশিংটনের রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে প্রত্যাখ্যান করে, যা প্রতিপক্ষদের বিচ্ছিন্ন ও নিরব করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে বলা হয়েছে, মার্কিন জনগণের উচিত আইআরজিসিকে "হুমকি হিসেবে নয়, বরং পশ্চিমা ও জায়নবাদী তথা ইহুদি-বর্ণবাদী আধিপত্যের বিরুদ্ধে প্রধান প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে" দেখা। চিঠিতে বলা হয়েছে, ইরানের প্রতিরোধ আঞ্চলিক ও প্রতিরক্ষামূলক, অন্যদিকে মার্কিন শক্তি সম্প্রসারণবাদী এবং অঞ্চলের বাইরের স্বার্থ দ্বারা পরিচালিত।

এই চিঠি এমন একটি ইরানের অবস্থান থেকে লেখা, যা—এর তথা ইরানের দাবি অনুযায়ী—২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের চালানো একটি বড় সামরিক আগ্রাসন মোকাবেলা করে টিকে গেছে। চিঠিতে সেই আগ্রাসনের বিষয়ে কয়েক পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যুদ্ধটি ইরানের ইচ্ছা ভাঙতে বা এর গতিপথ পরিবর্তন করতে ব্যর্থ হয়েছে, এবং "ফলাফল অঞ্চলে মার্কিন সামরিক শক্তির সীমাবদ্ধতা উন্মোচন করেছে।"

সেই অভিজ্ঞতা থেকে আইআরজিসি আরও বড় একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি ক্ষয়িষ্ণু শক্তি, এবং ইরানের মতবাদ ও বিশ্বদর্শন ইতিমধ্যে নৈতিক ও কৌশলগত বিজয় অর্জন করেছে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, "মহান স্রস্টা বা আল্লাহ দুই নেতার মধ্যে কাকে সমর্থন করেন, তা সম্পূর্ণ স্পষ্ট," যেখানে ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গে ওয়াশিংটনের একটি "আত্মসমৃদ্ধিকারী" অভিজাতশ্রেণির তুলনা করা হয়েছে।

আইআরজিসি আরও অভিযোগ করেছে, মার্কিন রাজনীতিবিদরা বিদেশি যুদ্ধকে আর্থিক সুযোগ হিসেবে দেখেন। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, কেউ কেউ সংঘাতের ফলাফলের ভিত্তিতে শেয়ার ব্যবসা করেন। এতে বলা হয়েছে, যেসব নেতা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের কথা বলেন, তারাই যুদ্ধের ব্যয় বহনকারী মার্কিনিদের নিয়ে খুব কম চিন্তা করেন। চিঠিতে বলা হয়েছে, এই বিষয়টি এমন যে এর সুবাদে মার্কিনি ও ইরানি জনগণকে বিভক্ত করার বদলে একত্রিত করা উচিত।

চিঠির শেষ অংশটি একটি সতর্কবার্তা। এতে বলা হয়েছে, "মার্কিন অপরাধগুলো বিশ্বকে এমন একটি বারুদগোলায় পরিণত করেছে যা বিস্ফোরিত হওয়ার মুখে রয়েছে।" এতে বলা হয়েছে, মার্কিন জনগণের ক্ষমতা ও দায়িত্ব রয়েছে এমন একটি পথ বন্ধ করার, যা পশ্চিম এশিয়া এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্যই অটুট ও বিপজ্জনক।

চিঠিটি শেষ হয়েছে তালমুদ ও গসপেলে পাওয়া সোনালি-নীতির উল্লেখ করে এবং মার্কিনিদের প্রতি আরও সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আগেই তাৎক্ষণিক পরিবর্তনের দাবি জানানোর আহ্বান জানিয়ে। #

 

পার্স টুডে/এমএএইচ/৩০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।