এত নিচে নামতে পারেন প্রধানমন্ত্রী?-মমতা বন্দোপাধ্যায়
https://parstoday.ir/bn/news/india-i158718-এত_নিচে_নামতে_পারেন_প্রধানমন্ত্রী_মমতা_বন্দোপাধ্যায়
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে আজ শুক্রবার এক জনসভায় বলেছেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা হচ্ছে না। রাজ্যের অন্যতম এবং নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা করতে পারছে না রাজ্য সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অরাজকতার সৃষ্টি হয়েছে।
(last modified 2026-04-24T12:56:29+00:00 )
এপ্রিল ২৪, ২০২৬ ১৮:৪৩ Asia/Dhaka
  • ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়
    ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পশ্চিমবঙ্গের বারুইপুরে আজ শুক্রবার এক জনসভায় বলেছেন, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা হচ্ছে না। রাজ্যের অন্যতম এবং নামী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা রক্ষা করতে পারছে না রাজ্য সরকার। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অরাজকতার সৃষ্টি হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যাদবপুরের ক্যাম্পাসে হুমকির দেওয়া হয়। দেওয়ালে দেশবিরোধী কথাবার্তা লেখা হয়। ছাত্রদের মিছিলে হাঁটতে বাধ্য করা হয়। পড়াশোনা হচ্ছেই না। তিনি বলেন ‘‘আমরা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে বাঁচাতে চাই। যে সরকার নিজের রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিক্ষাকেন্দ্র বাঁচাতে পারে না, তারা রাজ্য কী করে বাঁচাবে!

প্রধানমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে লিখেছেন,'এতটা নীচে নামতে পারেন? এটাই কি আপনার শালীনতা এবং সৌজন্যবোধের ধারণা?’’  যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে এমন মন্তব্য করে মর্যাদাপূর্ণ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদেরই অপমান করলেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, তিনি সমগ্র বাংলাকে অপমান করেছেন। তিনি লিখেছেন, প্রধানমন্ত্রী আর ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা মানেই সেটা অরাজকতা নয়। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে মোদী সরকারই এনআইআরএফ র‌্যাঙ্কিংয়ে উঁচু জায়গায় রাখে। আর প্রধানমন্ত্রী সেই প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্বকে খাটো করে অপমান করেছেন।

প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের সমালোচনায় মমতা বলেন, ‘অরাজকতার মানে হল ছাত্রছাত্রীরা যেখানে তাঁদের আওয়াজ তোলেন না। অরাজকতা হল বুলডোজারকে ন্যায়বিচারের পরিবর্তে ক্ষমতার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করা। অরাজকতা হল যখন কৃষকরা মারা যান এবং তাঁদের কন্ঠস্বর স্তব্ধ করে দেওয়া হয়। ধর্ষণ এবং অন্যান্য জঘন্যতম অপরাধের জন্য দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিরা রাজনৈতিক সুবিধার জন্য মুক্ত হন।’

মমতা আরও লিখেছেন, ‘ হল দরিদ্রদের পাওনা দিতে অস্বীকার করা হচ্ছে অরাজকতা। একটি জাতিকে ধর্মান্ধ করে ভোটের জন্য ভাগ করার নাম অরাজকতা। অরাজকতা হচ্ছে, সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হতে অস্বীকার করা, জবাবদিহি করতে অস্বীকার করা এবং প্রশ্ন প্রত্যাখ্যান করা।#

পার্সটুডে/জিএআর/২৪