ভারত-চীন সীমান্ত এলাকায় আরো সামরিক বিমানক্ষেত্র নির্মাণ করছে নয়াদিল্লি
https://parstoday.ir/bn/news/india-i36668-ভারত_চীন_সীমান্ত_এলাকায়_আরো_সামরিক_বিমানক্ষেত্র_নির্মাণ_করছে_নয়াদিল্লি
লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল না এলএসি নামে পরিচিত ভারত-চীন সীমান্তের কাছে আরো বিমানক্ষেত্র নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছে নয়াদিল্লির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ভারতের অরুণাচল প্রদেশের কাছে এ সব বিমানক্ষেত্র নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কৌশলগত মালামাল প্রেরণ এবং ওই এলাকায় বিরাজমান বিমানক্ষেত্রগুলোর ব্যাকআপ হিসেবে এগুলোকে ব্যবহার করা হবে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
এপ্রিল ২২, ২০১৭ ১৫:৪৪ Asia/Dhaka
  • ভারত-চীন সীমান্ত এলাকায় আরো সামরিক বিমানক্ষেত্র নির্মাণ করছে নয়াদিল্লি

লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল না এলএসি নামে পরিচিত ভারত-চীন সীমান্তের কাছে আরো বিমানক্ষেত্র নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছে নয়াদিল্লির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। ভারতের অরুণাচল প্রদেশের কাছে এ সব বিমানক্ষেত্র নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কৌশলগত মালামাল প্রেরণ এবং ওই এলাকায় বিরাজমান বিমানক্ষেত্রগুলোর ব্যাকআপ হিসেবে এগুলোকে ব্যবহার করা হবে।

অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণাঞ্চলীয় তিব্বতের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে বেইজিং এবং এ প্রেক্ষাপটে এলএসিকে চীন-ভারতের মধ্যে বিরাজমান সীমান্ত হিসেবে ধরা হয়ে থাকে।

অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খানদুর সঙ্গে ভারতের প্রতিরক্ষা সচিব জি. মোহান কুমার সম্প্রতি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন। তাওয়াংয়ে চলমান নির্মাণ তৎপরতা নিয়ে এ বৈঠক হয়। চীন সীমান্ত থেকে মাত্র ৩৫.৪ কিলোমিটার দূরে তাওয়াং অবস্থিত। বৈঠকে অরুণাচল প্রদেশের প্রশাসনকে অ্যাডভান্সড ল্যান্ডিং গ্রাউন্ড বা এএলসি নামে পরিচিত আরো বিমানক্ষেত্র নির্মাণের নির্দেশ দেন মোহান কুমার। এ সব বিমানক্ষেত্র দিরাং এলাকায় নির্মাণের নির্দেশ দেয়া হয়। 

২০০৯ সালে ভারত সরকার চীন সীমান্তের কাছে সাতটি এএলসি সংস্কার করার পরিকল্পনা অনুমোদন করেছে। এর মধ্যে অরুণাচলের পাঁচটি এএলসির উন্নয়নের কাজ শেষ হয়েছে। এ সব এলএলসিতে গতবছর যুদ্ধবিমান সুখোই এবং সামিরক পরিবহন বিমান সি-১৭ গ্লোবমাস্টার অবতরণ করছে।

অবশ্য তাওয়াংয়ের কাজ ধীর গতিতে চলছে এবং ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৩৯ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। একে কৌশলগত কাজে ব্যবহার করা হয়।

এ ছাড়া, ভিজাইয়ানগার এএলসিও উন্নয়নের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। তবে সংযোগ সড়ক না থাকায় এ কাজ শুরু করা সম্ভব হয় নি। কিন্তু এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় সড়ক নির্মাণের প্রকল্প নেয়া হয়েছে। তাই এর কাজও শুরু হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, ২৪টি অবহৃত বিমানক্ষেত্রে দূরপাল্লার রাডার বসানো, অস্ত্রাগার স্থাপন এবং কৌশলগত সরঞ্জাম পাঠানোর মতো আরো অনেক কাজে ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছ ভারতীয় বিমান বাহিনী আইএএফ।#

পার্সটুডে/মূসা রেজা/২২