উত্তর কাশ্মিরে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষ, মীরওয়াইজ গৃহবন্দি, বনধের ডাক
ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরে প্রতিবাদী জনতা ও সরকারি বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। আজ (শুক্রবার) উত্তর কাশ্মিরের হাজিন এলাকায় প্রতিবাদী তরুণরা সেনাবাহিনীর টহলদারি দলের উপরে পাথর নিক্ষেপ করলে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।
ঘটনাস্থলে পুলিশ বাহিনী পৌঁছে উত্তেজিত জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের সেল নিক্ষেপ করে। ওই ঘটনার পরে হাজিন শহর এলাকায় সর্বাত্মক বনধ পালিত হচ্ছে।
এদিকে, আজ সকালে হুররিয়াত কনফারেন্সের একাংশের প্রধান মীরওয়াইজ ওমর ফারুককে গৃহবন্দি করা হয়েছে। চারার-ই-শরীফে আজ জুমা নামাজ শেষে তার এক সমাবেশে ভাষণ দেয়ার কথা ছিল। মধ্য কাশ্মিরের বাডগাম জেলায় শায়খ-উল আলম শেখ নূরউদ্দিন নূরানি (রহ.) ৫৯৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী অনুষ্ঠানে শামিল হওয়ার কথা ছিল মীরওয়াইজের। কিন্তু তার আগেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে তাকে গৃহবন্দি করা হয়।
হুররিয়াত কনফারেন্সের এক মুখপাত্র বলেন, মীরওয়াইজের বাড়ির বাইরে নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, হুররিয়াত কনফারেন্সের চেয়ারম্যান সাইয়্যেদ আলীশাহ গিলানী গত এক বছর ধরে গৃহবন্দি থাকলেও তাকে এখনো রেহাই দেয়া হয়নি।

এদিকে, আজ জুমাবারকে সামনে রেখে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে গতকাল শ্রীনগর জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে নৌহাট্টা, খানইয়ার, রায়নাওয়াড়ি, এম আর গঞ্জ, সাফাকাদল, ক্রালখুদ ও মৈসুমা থানা এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।
এর আগে রহস্যজনকভাবে কাশ্মিরি নারীদের চুলের বিনুনী কেটে নেয়ার ঘটনায় জুমা নামাজ শেষে যৌথ প্রতিরোধ নেতৃত্ব সাইয়্যেদ আলী শাহ গিলানী, মীরওয়াইজ ওমর ফারুক ও মুহাম্মদ ইয়াসিন মালিকের পক্ষ থেকে প্রতিবাদে শামিল হওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এদিকে একই ইস্যুতে যৌথ প্রতিরোধ নেতৃত্বের পক্ষ থেকে আগামীকাল বনধ পালন ও জনতার কারফিউয়ের ডাক দেয়া হয়েছে।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/২০