পশ্চিমবঙ্গে ঈদের ছুটি বাড়ানোর দাবি সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের
-
ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানান মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ঈদের ছুটি বাড়ানোর দাবি উঠেছে। সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের পক্ষ থেকে ওই দাবি তোলা হয়েছে। আজ (মঙ্গলবার) সারা বাংলা সংখ্যালঘু যুব ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান এক বার্তায় এ দাবি জানান।
তিনি বলেন, 'মুসলিমদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদে রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারের মুসলিম কর্মচারীরা সমস্যায় পড়েছেন। অনেক আবেদন-নিবেদনের পরেও ঈদের আগের দিন ও পরের দিন সরকারি ছুটি দেয়া হয়নি। এরফলে বাসা থেকে দূরদূরান্তের কর্মস্থলের সরকারি কর্মীরা পরিবার পরিজনের সঙ্গে ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারছেন না।’
কামরুজ্জামান বলেন, ‘অনেক বিশ্ববিদ্যালয় ঈদের আগের দিন ও পরের দিন পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ করেছিল। অনেক আবেদন ও স্মারকলিপি দেয়ার পরে কিছু বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষার সময়সূচী পরিবর্তন করেছে। কিন্তু মাওলানা আবুল কালাম আজাদ টেকনিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন করেনি। ফলে ছাত্র-ছাত্রীদের বাবা-মায়ের সঙ্গে ঈদ পালনের স্বপ্ন অধরা থেকে গেল।’ তিনি এ ব্যাপারে রাজ্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান এ ব্যাপারে আজ রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘আমরা ভেবেছিলাম মমতা সরকার মানবিকতার সঙ্গে ঈদের ছুটি বিবেচনা করবেন। যে ছুটিগুলো বিগত দিনে রাজ্যের ক্যালেন্ডারে ছিল না। সেই ‘ছট পুজো’সহ একাধিক ছুটি একদিন করে নয়, দু’দুদিন করে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু ঈদের মতো একটা গুরুত্বপূর্ণ ছুটি বাড়ানো হচ্ছে না! যে রাজ্যে মুসলিমরা সংখ্যায় এক-তৃতীয়াংশ, সেই রাজ্যের মুসলিমদের একটা উৎসব সম্পর্কে সরকারের এই অবজ্ঞা, এই অবহেলা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক! আমরা ইনসাফ প্রত্যাশা কয়েছিলাম। কিন্তু ইনসাফের পরিবর্তে কিছু মৌখিক তোষণ নিয়ে তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। আমি রাজ্য সরকার ও কেন্দ্রীয় সরকারকে অনুরোধ করব তারা আগামীকাল ঈদ ও আগামী পরশুদিন অর্থাৎ ঈদের পরের দিন অবশ্যই ছুটি ঘোষণা করুন। এবং মুসলিমদের এই প্রধান উৎসবের তারা মর্যাদা দিক।’ এরফলে ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের সংখ্যালঘু মুসলিমদের ওপর সুবিচার করা হবে বলেও মুহাম্মাদ কামরুজ্জামান মন্তব্য করেন।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।