ভারত-চীন সীমান্ত সংঘাতের মধ্যে ভারতের উদ্দেশ্যে চীনা হুঁশিয়ারি
ভারত-চীন চলমান সীমান্ত সংঘাতের মধ্যে ভারতের উদ্দেশ্যে চীনা হুঁশিয়ারি প্রকাশ্যে এসেছে। চীনা সরকারি মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসে প্রকাশ, চীন বলেছে, ভারত যদি চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হতে চায় তাহলে চীনের কাছে ভারতের চেয়ে অনেক উপকরণ ও ক্ষমতা রয়েছে। ভারত যদি সামরিক শোডাউন করতে চায় তাহলে পিএলএ ১৯৬২ সালের চেয়ে ভারতীয় সেনাবাহিনীকে আরও মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন করতে বাধ্য হবে।
আজ (মঙ্গলবার)‘গ্লোবাল টাইমস’কে উদ্ধৃত করে হিন্দি টিভি চ্যানেল ‘আজতক’-এর ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ভারত নিজেদের বিবৃতিতে বলেছে, তারা চীনা সেনাবাহিনীর তৎপরতা ইতোমধ্যে বন্ধ করে দিয়েছে। এ থেকে বোঝা যায় যে ভারতীয় সেনা আগে বিধ্বংসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং ভারতীয় সেনারাই এবার সংঘর্ষ শুরু করেছে।
চীনা গণমাধ্যমকে উদ্ধৃত করে ‘আজতক’ আরও জানিয়েছে, ভারত তার ঘরোয়া সমস্যায় বিপর্যস্ত, বিশেষত করোনাভাইরাসের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে রয়েছে। রোববার ভারতে করোনাভাইরাসের নয়া সংক্রমণ ৭৮ হাজারে পৌঁছেছে। অর্থনীতির অবস্থাও খারাপ। সীমান্তে উসকানিমূলক কার্যক্রম চালিয়ে নিজেদের ঘরোয়া সমস্যা থেকে মনোযোগ বিমুখ করতে চায়।
গতকাল (সোমবার) ভারতীয় সেনাবাহিনীর জনসংযোগ কর্মকর্তা কর্নেল আমন আনন্দ বলেছিলেন, ‘সামরিক ও কূটনৈতিকস্তরে সংলাপের মধ্য দিয়ে পূর্ব লাদাখে সঙ্ঘাত পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে যে ঐকমত্যে পৌঁছনো গিয়েছিল, ২৯/৩০ অগস্ট রাতে চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি (পিএলএ) তা লঙ্ঘন করেছে। স্থিতাবস্থা নষ্ট করতে সেখানে তারা প্ররোচনামূলক সামরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘প্যাংগং লেকের দক্ষিণে চীনা বাহিনীর ওই আগ্রাসন ভারতীয় বাহিনী প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। সেখানে নিজেদের অবস্থান মজবুত করা গেছে। চীন একতরফাভাবে পরিস্থিতি পরিবর্তনের চেষ্টা করে। কিন্তু তাদের সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।’
এদিকে, আজ গণমাধ্যমে প্রকাশ, ভারত-মার্কিন স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ ফোরামে ভারত-চীন ইস্যুতে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী এস জয়শংকর বোঝাপড়ার মাধ্যমে দু’দেশেরই সমঝোতায় আসা উচিত মন্তব্য করেন।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।