ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ লাখ ৭০ হাজার, মৃত ৭৩,৮৯০
https://parstoday.ir/bn/news/india-i82927-ভারতে_করোনা_আক্রান্তের_সংখ্যা_বেড়ে_৪৩_লাখ_৭০_হাজার_মৃত_৭৩_৮৯০
ভারতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ লাখ ৭০ হাজার ১২৮ জনে। এ পর্যন্ত মোট ৭৩ হাজার ৮৯০ জন করোনা রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। আজ (বুধবার) সকাল ৮ টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওই তথ্য জানিয়েছে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২০ ০৯:৩৯ Asia/Dhaka
  • ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪৩ লাখ ৭০ হাজার, মৃত ৭৩,৮৯০

ভারতে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩ লাখ ৭০ হাজার ১২৮ জনে। এ পর্যন্ত মোট ৭৩ হাজার ৮৯০ জন করোনা রোগী প্রাণ হারিয়েছেন। আজ (বুধবার) সকাল ৮ টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ওই তথ্য জানিয়েছে।

সরকারি সূত্রে প্রকাশ, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৯ হাজার ৭০৬ টি নয়া সংক্রমণ এবং একইসময়ে ১ হাজার ১১৫ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। ভারতে এ পর্যন্ত ৩৩ লাখ ৯৮ হাজার ৮৪৪ জন সুস্থ হওয়ায় বর্তমানে ৮ লাখ ৯৭ হাজার ৩৯৪ জন করোনা রোগী হাসপাতাল অথবা হোম আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন আছেন।

গতকাল (মঙ্গলবার) ১১ লাখ ৫৪ হাজার ৫৪৯ জনের করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হয়। দেশে এ পর্যন্ত মোট ৫ কোটি ১৮ লাখ ৪ হাজার ৬৭৭ জনে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।

বর্তমানে সক্রিয় করোনা রোগীর হার হল ২০.৫৩ শতাংশ। সুস্থতার হার ৭৭.৭৭ শতাংশ। মৃত্যু হার ১.৬৯ শতাংশ।

এদিকে, দেশে দৈনিক আক্রান্তের যে সংখ্যা প্রকাশ্যে আসছে, প্রকৃত সংখ্যা কমপক্ষে তার ১০ গুণ বেশি বলে মনে করছেন, বিজ্ঞানী ও গবেষকদের একটি অংশ। তারা বলছেন, এখনও সবাইকে পরীক্ষার আওতায় আনা যায়নি। সংক্রমিত হয়েছেন এমন সন্দেহে কেবলমাত্র উপসর্গযুক্ত ব্যক্তিদেরই পরীক্ষা করা হচ্ছে। ফলে জনসংখ্যার একটি বড় অংশই পরীক্ষার বাইরে থেকে যাচ্ছে।

মাইক্রোবায়োলজিস্টস সোসাইটি অব ইন্ডিয়ার প্রেসিডেন্ট এ এম দেশমুখ বলেন, যারা সংক্রমিত হয়েছেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে, তাদেরই শুধু পরীক্ষা করা হচ্ছে। কিন্তু যারা উপসর্গহীন, তাদের পরীক্ষা হচ্ছে না। এরফলে প্রকৃত সংখ্যাও পাওয়া যাচ্ছে না। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যানের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা কমপক্ষে দশ গুণ বেশি বলেও এ এম দেশমুখ মন্তব্য করেন।

দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেস-এর সংক্রামক রোগ চিকিৎসক সায়ন্তন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, ‘কতজনের রিপিট টেস্টিং হচ্ছে, কত জনের ডিসচার্জ হওয়ার আগে দ্বিতীয়বার টেস্টিং হচ্ছে, সেগুলো স্পষ্ট নয়। এরফলে সংক্রমিতের প্রকৃত সংখ্যা অনেক সময়েই সামনে আসছে না।’  যে সংখ্যা সামনে আসছে, প্রকৃতসংখ্যা তার থেকে অনেকটাই বেশি বলেও চিকিৎসক সায়ন্তন বন্দ্যোপাধ্যায় আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/এআর/৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।