পশ্চিমবঙ্গে বাম-কংগ্রেস জোটে পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট
https://parstoday.ir/bn/news/india-i87496-পশ্চিমবঙ্গে_বাম_কংগ্রেস_জোটে_পীরজাদা_আব্বাস_সিদ্দিকির_ইন্ডিয়ান_সেক্যুলার_ফ্রন্ট
ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট-কংগ্রেস জোটে শামিল হচ্ছে ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। আজ (মঙ্গলবার) কোলকাতায় বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমানবসু ও রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী এ সংক্রান্ত ঘোষণা করেছেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১ ১৭:১১ Asia/Dhaka
  • ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি
    ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বামফ্রন্ট-কংগ্রেস জোটে শামিল হচ্ছে ফুরফুরা শরীফের পীরজাদা আব্বাস সিদ্দিকির ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)। আজ (মঙ্গলবার) কোলকাতায় বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমানবসু ও রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী এ সংক্রান্ত ঘোষণা করেছেন।

বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, আসন্ন নির্বাচনে আসন সমঝোতা করেই লড়বে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস ও আইএসএফ। আজ অবশ্য পীরজাদা  আব্বাস সিদ্দিকির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলনে কেউ  উপস্থিত ছিলেন না। কত আসন সংখ্যার ভিত্তিতে তিন ফ্রন্টের মধ্যে আসন সমঝোতা হচ্ছে, আজ তা ঘোষণা করা হয়নি।    

কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী এমপি’র দাবি, ‘রাজ্যে বাম-কংগ্রেস জোটের উপরে রাজ্যের মানুষের আস্থা বাড়ছে। সেজন্য বাংলার  লড়াইটা শুধু তৃণমূল-বিজেপির লড়াই নয়। বাংলার লড়াইটা হতে চলেছে ত্রিমুখী। বাম-কংগ্রেস জোট কাউকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য লড়াই করছে না। নিজেরা  ক্ষমতা দখলের জন্য লড়াই করছে।’ রাজ্যে বাম-কংগ্রেসই ক্ষমতায় আসবে বলে অধীর চৌধুরী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, ‘আসনের ব্যাপারে যা আলোচনা ছিল তা হয়ে গেছে। ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের বিষয়টি এরমধ্যে চলে এসেছে। আব্বাস সিদ্দিকির সঙ্গে যা কথা বলার তা প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলবেন।’

এপ্রসঙ্গে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কোলকাতার ঐতিহ্যবাহী যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট সমাজকর্মী আব্দুল মাতিন রেডিও তেহরানকে বলেন, ‘যেভাবে বাম-কংগ্রেস এবং ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের জোটের কথা আমরা গণমাধ্যমে শুনছি, এটা যদি বাস্তবায়ন হয় তাহলে কিন্তু দক্ষিনবগের একটা বিরাট অংশ, বিশেষ করে দুই ২৪ পরগণা, হাওড়া হুগলী, মেদিনীপুরের একটা অংশ এবং নদিয়ার একটা অংশে ব্যাপকভাবে শাসক দলের যে ভোট তা অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এটাতে আরেকটা যেটা হতে পারে সেটা হচ্ছে বিজেপি-তৃণমূল লড়াই ছিল, সেই লড়াই এবার ত্রিশঙ্কু লড়াই হবে, যেটা পজিটিভও হতে পারে এরফলে বিজেপির ভোট কমতে পারে। আমার মনে হয় এতে বিজেপির ভোট কমবে। এটা হলে ‘দিদি-মোদি’ (মমতা-মোদি) দ্বিমুখী সমীকরণের বাইরে বেরিয়ে একটা আলাদা গণতান্ত্রিক শক্তির উত্থান হওয়ার সম্ভাবনা আছে।’#      

   

পার্সটুডে/এমএএইচ/ বাবুল আখতার/১৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।