প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে করিডোর চালুকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিচ্ছে ইরান: প্রেসিডেন্ট
-
পেজেশকিয়ান
পার্সটুডে- ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ করিডোর শিগগিরই চালু হবে।
পার্সটুডে জানিয়েছে, ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেছেন, আস্তারা-রাশ্ত, শালমাচে-বসরা এবং সম্ভবত জাহেদান-চাবাহার করিডোর চলতি ফার্সি বছরই চালু হবে। চলতি ফার্সি বছর শেষ হতে আর প্রায় তিন মাস বাকি।
পেজেশকিয়ান আরও বলেছেন, শালমাচে-বসরা করিডোরের মূল কাজগুলো ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং অবশ্যই ইরাকের পক্ষ থেকেও কিছু কাজ করতে হবে, এটা তারা এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি আরও বলেন, আস্তারা-রাশ্ত করিডোরটি আমরা এগিয়ে নিয়ে যাব। বিশেষজ্ঞরা এসে কাজটি করতে শুরু করেছেন।
মারান্দ-চেশমে সুরাইয়া রেলপথ: ইউরেশিয়ার ট্রানজিট নেটওয়ার্কের সাথে ইরানকে যুক্ত করবে এই রেলপথ
কাস্পিয়ান পোস্টের এক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, "মারান্দ-চেশমে সুরাইয়া" রেলপথ প্রকল্প ইরানকে ইউরেশিয়ার ট্রানজিট নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত করবে। পত্রিকাটি আরও জানিয়েছে, সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি এবং তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান তেহরানে এক বৈঠকে এই বিষয়ে আলোচনা করেছেন, যা দ্বিপক্ষীয় পরিবহন সহযোগিতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। এই প্রতিবেদনে বলা হয়, আলোচনার মূল বিষয় ছিল "মারান্দ-চেশমে সুরাইয়া" রেলপথ। এটি প্রায় ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ যা উত্তর-পশ্চিম ইরানকে তুরস্কের সীমান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করবে এবং পরবর্তীতে তুরস্কের "কার্স-ডিলুচে" রেলপথের সাথে সংযুক্ত হবে। তাই এই রেলপথ সম্পন্ন হলে এটি দুটি দেশের মধ্যে একটি নতুন স্থল করিডোর তৈরি করতে পারে; যা ট্রানজিটের সময় হ্রাস, লজিস্টিক পথগুলোর বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক সংযোগকে শক্তিশালী করার মতো সুবিধা প্রদান করবে।
কাস্পিয়ান পোস্ট লিখেছে, ইরানের জন্য এই রেলপথটি ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং তেহরান এটিকে চীন-ইউরোপ রেল করিডোরের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করে; একটি এমন এক পথ যা ইউরেশিয়ার ট্রানজিট নেটওয়ার্কে ইরানের অবস্থানকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করবে।#
পার্সটুডে/এসএ/৩০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন