১৩টি আন্তর্জাতিক ন্যানো মান নিবন্ধন; বিশ্বে চতুর্থ স্থানে ইরান
পার্সটুডে: ইরান ১৩টি আন্তর্জাতিক ন্যানোপ্রযুক্তি মান নিবন্ধন করে বিশ্বে মান প্রণয়নে চতুর্থ স্থান অর্জন করেছে।
ইরানি বার্তা সংস্থা ইসনা'র বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, ইরানের অধীনস্থ ন্যানো ও মাইক্রো প্রযুক্তি উন্নয়ন সদর দপ্তরের সচিব ইমাদ আহমাদওয়ান্দ বলেছেন, ইরান এখন পর্যন্ত ন্যানোপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে ১৩টি আন্তর্জাতিক মান নিবন্ধনে সফল হয়েছে। এ ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীনের পর ইরানের অবস্থান চতুর্থ।
তিনি বলেন, মান নির্ধারণ বা স্ট্যান্ডার্ড প্রণয়ন শুধু বৈজ্ঞানিক সাফল্য নয়, এটি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সহজ হয়, প্রযুক্তি এক দেশ থেকে অন্য দেশে স্থানান্তর করা সহজ হয় এবং পণ্যের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের নিবন্ধিত মানগুলো ন্যানোপ্রযুক্তির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। এর মধ্যে রয়েছে— ন্যানোম্যাটেরিয়াল শ্রেণিবিন্যাসের পদ্ধতি, ব্যাকটেরিয়ার ওপর রূপার ন্যানোকণার প্রভাব পরীক্ষা করার পদ্ধতি, ন্যানোবিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পরিভাষা ও সূচক নির্ধারণ এবং জলীয় পরিবেশে ন্যানোম্যাটেরিয়ালের বিষাক্ততা মূল্যায়নের নিয়ম।
এছাড়াও স্তরযুক্ত কাদামাটির ন্যানোম্যাটেরিয়ালের বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ, খাদ্য প্যাকেজিংয়ে ব্যবহৃত ন্যানোকম্পোজিট পলিমার ফিল্মের মানদণ্ড এবং প্রোটিনের গঠনে ন্যানোম্যাটেরিয়ালের প্রভাব যাচাইয়ের প্রোটোকল সম্পর্কেও মান প্রণয়ন করা হয়েছে।
অন্য গুরুত্বপূর্ণ মানগুলোর মধ্যে আছে— ন্যানোপ্রযুক্তি-সমৃদ্ধ বস্ত্রের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল কার্যকারিতা মূল্যায়ন, জীবন্ত কোষে ন্যানোম্যাটেরিয়ালের বিষাক্ততা পরিমাপের পদ্ধতি, বস্ত্র ও আবরণে অতিরিক্ত জলবিরোধী বৈশিষ্ট্য (সুপারহাইড্রোফোবিসিটি) পরিমাপ এবং মাস্ক থেকে নির্গত ন্যানোকণা শনাক্ত করার পদ্ধতি। এই স্ট্যান্ডার্ডগুলো আন্তর্জাতিক মান সংস্থার (আইএসও) কাঠামোর মধ্যে প্রণীত হয়েছে। আহমদওয়ান্দের মতে, এটি ন্যানো প্রযুক্তির বৈশ্বিক নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে ইরানের অবস্থানকে সুসংহত করেছে।#
পার্সটুডে/এমএআর/১৭