এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিই নিরাপত্তাহীনতার একমাত্র কারণ: বাকায়ি
-
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি
পার্সটুডে- ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের প্রতিবেশী দেশগুলোকে এ অঞ্চলের বাইরের শক্তিগুলোর কাছ থেকে "নিরাপত্তা ধার করার" চেষ্টা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে জোর দিয়ে বলেছেন, প্রতিবেশীদের সাথে ইরানের কোনো শত্রুতা নেই।
প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি পারস্য উপসাগরে অবস্থিত ইরানের প্রতিবেশীদের এই অঞ্চলে নিরাপত্তা ধার করার চেষ্টার বিরুদ্ধে সতর্ক করে বলেছেন, "এই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতিই নিরাপত্তাহীনতার একমাত্র উৎস এবং এটি মার্কিন ঘাঁটি স্থাপন করতে দেয়া দেশগুলোকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে।"
পার্সটুডে জানিয়েছে, বাকায়ি আরো বলেছেন, প্রকৃত নিরাপত্তা দেয়ার পরিবর্তে এই অঞ্চলে মোতায়েন মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলো বারবার এখানকার দেশগুলোকে অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। তিনি বলেন, মার্কিন সামরিক উপস্থিতি নিরাপত্তাহীনতা ছাড়া আর কিছুই বয়ে আনে না।
বাকায়ি আঞ্চলিক সরকারগুলোকে গঠনমূলক সংলাপ এবং এ অঞ্চলের দেশগুলোকে যৌথভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তেলার বিষয়টিকে আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিদেশি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে নিজেদের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্য ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দৃঢ় সংকল্পের কথা উল্লেখ করে বাকায়ি বলেন: “ইরানিরা কখনোই চাপের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না এবং ইরানের প্রতিরক্ষামূলক ব্যবস্থা সম্পূর্ণ মার্কিন সম্পদ ও ঘাঁটিগুলোর বিরুদ্ধে যাবে যা ইরানকে আক্রমণ করার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে; ইরানের সামরিক শক্তি কোনোভাবেই এই অঞ্চলের দেশগুলোর বিরুদ্ধে নয়।”
ইরান-মার্কিন আলোচনা প্রসঙ্গে বাকায়ি জোর দিয়ে বলেন, “বর্তমানে ইরানের সিদ্ধান্ত হলো যুদ্ধ শেষ করার দিকে মনোনিবেশ করা, কারণ এটি সমগ্র অঞ্চল, ইরানি জাতি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।”#
পার্সটুডে/এমআরএইচ/৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন