হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতি এবং এর পরিণতির দায়ভার যুদ্ধবাজদের ওপর বর্তায়: ইরাভানি
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i159426-হরমুজ_প্রণালীর_বর্তমান_পরিস্থিতি_এবং_এর_পরিণতির_দায়ভার_যুদ্ধবাজদের_ওপর_বর্তায়_ইরাভানি
পার্সটুডে- জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি বলেছেন: হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতি এবং এর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিণতির একমাত্র দায়ভার ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুকারী এবং তাদের আঞ্চলিক সহযোগীদের।
(last modified 2026-05-16T07:16:19+00:00 )
মে ১৬, ২০২৬ ১৩:১৪ Asia/Dhaka
  • • জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি
    • জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি

পার্সটুডে- জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি বলেছেন: হরমুজ প্রণালীর বর্তমান পরিস্থিতি এবং এর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিণতির একমাত্র দায়ভার ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরুকারী এবং তাদের আঞ্চলিক সহযোগীদের।

ইরনার বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি শুক্রবার অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ইকোসক) এক বিশেষ অধিবেশনে জোর দিয়ে বলেছেন, জ্বালানি বাজার, সরবরাহ শৃঙ্খলা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য প্রবাহে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা টেকসই উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি আরও বলেন, এই প্রেক্ষাপটে, ইরান দুটি গভীর এবং পরস্পর সংযুক্ত উপায়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে, ইরান ইসরায়েলি শাসনব্যবস্থা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুটি অবৈধ ও আগ্রাসী কর্মকাণ্ডের লক্ষ্যবস্তু হয়েছে, যা জাতিসংঘের সনদ এবং আন্তর্জাতিক আইনকে সুস্পষ্টভাবে লঙ্ঘন করেছে।

ইরাভানি বলেন, ইরানের তেল, গ্যাস এবং পেট্রোকেমিক্যাল অবকাঠামোর ওপর সরাসরি হামলা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে মারাত্মক অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ক্ষতি করেছে। এই হামলাগুলো বিশ্বব্যাপী জ্বালানি ও সার সরবরাহ ব্যবস্থাকেও ব্যাহত করেছে, যার ফলে বিশ্বজুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা এবং কৃষি উৎপাদনের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়েছে।

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত একতরফা নিষেধাজ্ঞা, জবরদস্তিমূলক পদক্ষেপ এবং নৌ অবরোধ বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও ব্যাহত করেছে এবং জ্বালানি ও পণ্য বাজারে অস্থিতিশীলতা বাড়িয়েছে।”

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের স্থায়ী প্রতিনিধি জোর দিয়ে বলেন, “সংঘাত বা বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভরতার মাধ্যমে টেকসই আঞ্চলিক নিরাপত্তা অর্জন করা সম্ভব নয়, বরং তা কেবল সংলাপ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার প্রতি সম্মান এবং প্রকৃত আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমেই সম্ভব।”

ইরাভানি জোর দিয়ে বলেন, আগ্রাসন ও সামরিক উত্তেজনা বন্ধ করা হলে এবং নৌ অবরোধ তুলে নেওয়া হলে, ইরান স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি নিরাপত্তা পুনরুদ্ধার এবং হরমুজ প্রণালীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য গঠনমূলক প্রচেষ্টা চালাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/১৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।