ট্রাম্পের বারবার হুমকির বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের নীরব থাকা উচিত নয়: ইরান
-
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি
পার্সটুডে- জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বারবার হুমকির বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের নীরব বা উদাসীন থাকা উচিত নয়।
ইরনার বরাত দিয়ে পার্সটুডে জানিয়েছে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি আমির সাঈদ ইরাভানি বুধবার সন্ধ্যায় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা বিষয়ক বৈঠকে বলেছেন, "বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা কেবল একটি মানবিক বিষয় নয় বরং এটি আন্তর্জাতিক আইন, জেনেভা কনভেনশন এবং জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী একটি বাধ্যতামূলক আইনি বাধ্যবাধকতা।"
ইরাভানি আরও বলেন, "তবে, বর্তমানে বেসামরিক নাগরিকরা ক্রমবর্ধমানভাবে ইচ্ছাকৃত সামরিক হামলা, গণশাস্তির শিকার হচ্ছেন এবং বেসামরিক অবকাঠামো পরিকল্পিত ধ্বংসের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছে। এই দুঃখজনক বাস্তবতা গাজা থেকে লেবানন পর্যন্ত এবং অতি সম্প্রতি ইরানের বিরুদ্ধে আগ্রাসী যুদ্ধে স্পষ্ট হয়েছে।"
জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আগ্রাসী কর্মকাণ্ড এই তিক্ত বাস্তবতাকে আবারও উন্মোচিত করেছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন: এই অন্যায্য ও নৃশংস যুদ্ধের চল্লিশ দিনে আগ্রাসনকারীরা ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিক এবং বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন করেছে।
তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যবশত, নিরাপত্তা পরিষদ এই আইন লঙ্ঘনের মুখে তার দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে।
ইরাভানি জোর দিয়ে বলেন, ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বারবার হুমকির বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের নীরব থাকা উচিত নয়, যার মধ্যে রয়েছে ইরানকে বোমা মেরে "প্রস্তর যুগে" ফিরিয়ে দেওয়ার সুস্পষ্ট হুমকি, জ্বালানি, অর্থনৈতিক ও শিল্প অবকাঠামো ধ্বংস করা, পারমাণবিক বিজ্ঞানী ও ঊর্ধ্বতন ইরানি কর্মকর্তাদের লক্ষ্যবস্তু করা এবং এমনকি ইরানি সভ্যতা ধ্বংস করার বাগাড়ম্বর ও হুমকি।#
পার্সটুডে/এমআরএইচ/২১
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।