ইরানের মহড়ার শেষ দিনে ব্যবহার হলো ২০০০ পাউন্ড গোলাবারুদ
-
মহড়ায় হামলার পর কল্পিত শত্রু অবস্থান থেকে ধোঁয়া উড়ছে
ইরানি বিমান বাহিনী আজ(বুধবার) মহড়ার শেষ দিনে ২০০০ পাউন্ড লেসার গাইডেড বোমা এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। কল্পিত শত্রু অবস্থানে আঘাত হানতে এই ব্যাপক পরিমাণে গোলাবারুদ ব্যবহার করা হয়।
ফাদাইয়ানে হারিমে বেলায়াত-৬ নামের এ মহড়া ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় ইস্পাহান প্রদেশে চালানো হয়েছে। মহড়া বিষয়ক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাসুদ রুজখোশ জানিয়েছেন, মহড়ায় অংশগ্রহণকারী যুদ্ধবিমানগুলো পূর্ব নির্ধারিত কল্পিত শত্রু অবস্থানে চালাতে এ সব গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে।
ভারি বোমা ফেলতে কম্পিউটার কন্ট্রোল গ্রুপ বা সিসিজি লেসার গাইডেন্স ইউনিট ব্যবহার হয়েছে। এ ছাড়া, কল্পিত শত্রু অবস্থানের ওপর পৃথক এফ-৭ যুদ্ধ বিমান থেকে বোমা ফেলা হয়েছে।
মহড়ায় এফ-৪ সামরিক বিমান আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য মারভেরিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। এ ছাড়া, সার্জিক্যাল স্ট্রাইকও চালিয়েছে।
মহড়ায় ড্রোন বা চালকহীন বিমান ব্যবহার হয়েছে। এ সব বিমান যোগাযোগ এবং গোয়েন্দা তৎপরতায় কাজে লাগানো হয়েছে। এ ছাড়া, কল্পিত শত্রু লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংসও করতেও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে।
গতকাল মহড়ার দ্বিতীয় দিনে ইলেক্ট্রনিক ওয়ারফেয়ারে কল্পিত শত্রুর রাডার সিস্টেমকে অকার্যকর করার পদ্ধতি রপ্ত করতে বিশেষ অনুশীলন চালানো হয়। দ্বিতীয় দিনের মহড়ায় ৫০টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছিল।
এবারের মহড়ায় ইরানে তৈরি সায়েকেহ, এফ-৪, এফ-৫ এবং সুখোই-২৪ বিমান অংশ নিয়েছে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের ড্রোন, স্মার্ট বোমা ও লেসার গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়।#
পার্সটুডে/মূসা রেজা/১৯