'ট্রাম্প পরমাণু সমঝোতা বাতিল করলে তাৎক্ষণিক জবাব দেবে ইরান'
-
সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বলেছেন, 'জেসিপিওএ' হচ্ছে একটি নিরাপত্তা সমঝোতা। এর সঙ্গে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। এ সমঝোতায় কোনো ধরণের সমস্যা সৃষ্টি করা হলে তা গোটা আন্তর্জাতিক সমাজের জন্য কঠিন পরিণতি বয়ে আনবে। ২০১৫ সালের জুলাই মাসে ব্রিটেন, ফ্রান্স, রাশিয়া, চীন, আমেরিকা ও জার্মানিকে নিয়ে গঠিত ছয় জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে ইরান পরমাণু সমঝোতা সই করে। ওই সমঝোতা 'জেসিপিওএ' নামে পরিচিত।
তিনি আরও বলেছেন, এক বছরেরও বেশি সময় ধরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প পরমাণু সমঝোতায় পরিবর্তন আনার অথবা তা ধ্বংসের চেষ্টা করছেন। কিন্তু তিনি ব্যর্থ হয়েছেন।
সাইয়্যেদ আব্বাস আরাকচি বলেন, আন্তর্জাতিক সমাজ এমনকি মার্কিন মিত্ররাও ট্রাম্পের এ ধরণের আচরণের বিরোধী। পরমাণু সমঝোতা 'জেসিপিওএ' জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের অংশ এবং ওই প্রস্তাব অনুযায়ী ট্রাম্প পরমাণু সমঝোতা বাতিল করতে পারেন না। পরিবর্তনের অধিকার রাখেন না তিনি।
আব্বাস আরাকচি বলেন, পরমাণু সমঝোতা থেকে বেরিয়ে গেলে আমেরিকা ও ইউরোপসহ পাশ্চাত্যের দেশগুলোর জন্য তা কঠিন পরিণতি বয়ে আনবে। গোটা বিশ্বেই তারা তাদের গ্রহণযোগ্যতা হারাবে। তিনি বলেন, যখন কোনো সমঝোতা হয় তখন তা উভয় পক্ষকেই মেনে চলতে হয়। কিন্তু কোনো পক্ষ যদি তা লঙ্ঘন করে তাহলে এর পরিণতির দায় ওই পক্ষকেই বহন করতে হয়।
তিনি আরও বলেন, ইসলামি ইরান গত কয়েক মাস ধরেই বলে এসেছে যে সব ধরণের পরিস্থিতির জন্য তেহরান প্রস্তুত রয়েছে। ট্রাম্প ও তার সহযোগীরা পরমাণু সমঝোতার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তেহরান এর জবাব দেবে। ইরান সরকার দেশের জনগণের অধিকার ও স্বার্থ পুরোপুরি রক্ষা করবে।#
পার্সটুডে/সোহেল আহম্মেদ/২৬