'অলিম্পিয়াডে অংশ নিয়ে অনেক শিখেছি, আরও অনেক শেখার আছে তা জেনেছি'
-
(বা থেকে) বায়োজিদ মিয়া, তামজিদ হোসাইন তানিম, প্রকৃতি প্রজুতি তুষ্টি এবং অদ্বিতীয় নাগ
ইরানে চলমান ২৯তম আন্তর্জাতিক জীববিজ্ঞান অলিম্পিয়াড বা আইবিও ২০১৮ অংশগ্রহণ করে অনেক কিছু শিখেছি এবং আরও অনেক শেখার আছে তাও জেনেছি। রেডিও তেহরানকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এ কথা বলেন এ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশি প্রতিযোগীরা। কথাটা বলেন বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী অদ্বিতীয় নাগ। আর এতে সহাস্যে সায় দেন প্রাণোজ্জ্বল বায়োজিদ মিয়া, তামজিদ হোসাইন তানিম, প্রকৃতি প্রজুতি তুষ্টি।
দীর্ঘ সময়ের কঠোর পরীক্ষা শেষে তেহরানের একটি হোটেলে ফিরে আসার পর তাদের সঙ্গে কথা হয়। পরীক্ষার চাপ মোটেও তাদের কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। হাসিমুখেই কথা বলছিলেন প্রতিভাদীপ্ত বাংলাদেশি ছাত্ররা। ওদের হাসিমাখা মায়াময় জ্ঞানদীপ্ত কচিমুখ, উৎসাহ এবং উদ্যম দেখে হতচকিত ক্লান্তি নিজেই হয়ত ক্লান্ত ও পরাস্ত হয়ে নিজে গোপন আস্তানায় ফিরে গেছে।
তাদের সঙ্গে আলাপ করে বুঝতে অসুবিধা হলো না যে, জীববিজ্ঞানকে অবলম্বন করে জীবনে এগিয়ে যাবেন তারা। পাশাপাশি এবারের প্রতিযোগিতার পরীক্ষাও নিয়ে কথা বলেন তারা। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে পরীক্ষার প্রশ্ন বেশ কঠিন হয়েছে- এ কথা অকপটে জানান তারা। আগামীকাল স্থানীয় সময় বিকেলে প্রতিযোগিতার ফলাফল ঘোষণা হবে- তা নিয়ে উদ্বেগের কথাও এ সময় স্বীকার করেন তারা।
অলিম্পিয়াডে আসার আগে নিজেদের প্রস্তুতি নিয়ে নানা কথা হয় তাদের সঙ্গে। এসব কথার মধ্যদিয়ে ব্যবহারিক পরীক্ষার প্রস্তুতি মনের মতো হয়নি সে আভাস দেন তারা। অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারীদের জন্য সরকারের জোরালো পৃষ্ঠপোষকতা অত্যাবশ্যক বলে জানান তারা।
ইরানি তরুণ গাইড আমির হোসেনের ভূয়সী প্রশংসা করেন তারা। একই সঙ্গে ইরানের আতিথেয়তার নিয়ে যা বলেন তাতে তাদের তরুণ হৃদয়ের মুগ্ধতাই ফুটে উঠেছে। তেহরান নগরীও খুব ভালো লেগেছে বলে জানান। তেহরানে বাংলাদেশ দূতাবাসের কাউন্সিলর এবং দূতালায় প্রধান হুমায়ুন কবির বাংলাদেশি প্রতিযোগীদের সঙ্গে কথা বলার জন্য হোটেলে ছুটে গিয়েছিলেন। এটাও তাদের ভালো লেগেছে।#
পার্সটুডে/মূসা রেজা/২০