ইরানের জবাবে শত্রুরা অনুতপ্ত হবে: সামরিক বাহিনীর প্রধান বাকেরি
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i60324-ইরানের_জবাবে_শত্রুরা_অনুতপ্ত_হবে_সামরিক_বাহিনীর_প্রধান_বাকেরি
ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি বলেছেন, শত্রুর যেকোনো হুমকি কিংবা আগ্রাসনের জবাব এমনভাবে দেয়া হবে যে তাদেরকে চরম অনুতপ্ত হতে হবে।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
জুলাই ২৫, ২০১৮ ১৮:০০ Asia/Dhaka
  • ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি
    ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি

ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাকেরি বলেছেন, শত্রুর যেকোনো হুমকি কিংবা আগ্রাসনের জবাব এমনভাবে দেয়া হবে যে তাদেরকে চরম অনুতপ্ত হতে হবে।

তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক হুমকির প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন। ইরানের প্রেসিডেন্টের বক্তব্যকে সমর্থন করে মেজর জেনারেল বাকেরিও আমেরিকাকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সিংহের লেজ নিয়ে খেলবেন না তাহলে অভাবনীয় পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং এর প্রভাব সারা বিশ্বের ওপর পড়বে। এর আগে ইরানের প্রেসিডেন্টের হুমকির জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক টুইটার বার্তায় বলেছেন আমেরিকাকে কখনই হুমকি দেবেন না। ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানি গত রবিবার বলেছিলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এটা জেনে রাখা উচিত দীর্ঘকাল ধরে এ অঞ্চলের জলপথের নিরাপত্তা রক্ষায় ইরানের বিরাট ভূমিকা রয়েছে এবং সিংহের লেজ নিয়ে খেলবেন না। এর অন্যথায় আপনাদের অনুতপ্ত হতে হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও গত রবিবার ইরান বিরোধী বক্তব্য দেয়ার সময় সিরিয়ার বৈধ সরকার ও এ অঞ্চলের প্রতিরোধকামী শক্তিগুলোর প্রতি ইরানের সমর্থনের অভিযোগ তোলেন এবং তেহরানকে সতর্ক করে দেন। তবে তিনি ইরাক ও সিরিয়ায় দায়েশ সন্ত্রাসীদের প্রতি ওয়াশিংটনের সমর্থনের বিষয়টি এড়িয়ে যান। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, ইরানের বিরুদ্ধে হোয়াইট হাউজের একের পর এক মিথ্যাচার ও হুমকির কারণ হচ্ছে তারা ইরানের শক্তি-সামর্থ্য সম্পর্কে অবগত নয়।

মার্কিন রাজনৈতিক বিশ্লেষক দানিয়েল লারিসন বলেছেন, "ইরানের জনগণ সেদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মার্কিন হস্তক্ষেপ মেনে নেবে না এবং ওয়াশিংটন যে কেবল নিজের স্বার্থে ইরানে হস্তক্ষেপ করছে তাতে সন্দেহ নেই।" 

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইরানি জাতি কখনই কোনো যুদ্ধের সূচনাকারী ছিল না। যেমনটি ইরানের সামরিক বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল বাকেরি বলেছেন, নিজ দেশের জনগণ, সীমান্ত, স্বাধীনতা ও ইসলামি বিপ্লব রক্ষার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেবে না। এ কারণে ইরান স্থল, আকাশ ও সমুদ্র পথে শক্তিশালী সামরিক শক্তি গড়ে তুলেছে এবং সামরিক সরঞ্জাম তৈরিতেও দেশটি আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ।

ইরান সবসময়ই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালিয়ে আসছে। হরমুজগান প্রণালীসহ আন্তর্জাতিক পানিসীমা এবং বিশ্ব অর্থনৈতিক নিরাপত্তা রক্ষায় ইরানের অবদান অনস্বীকার্য। #   

পার্সটুডে/রেজওয়ান হোসেন/২৫