তেহরানের হাফতচেনার যাদুঘরের প্রাণী এবং পাখির ট্যাক্সিডার্মি
ইরানের রাজধানী তেহরান নগরীর পৌর অঞ্চল – ১০'এ হাফতচেনার যাদুঘরটি অবস্থিত। তিনতলা যাদুঘরের দু'টি তলায় রয়েছে নানা দুর্লভ বা বিরল পাখি এবং প্রাণীর ট্যাক্সিডার্মি করা দেহ। এ সব পাখী বা প্রাণীকে সাজিয়ে রাখা হয়েছে কৃত্রিম বুনো পরিবেশে। দেয়ালেও ঝুলিয়ে রাখা আছে অনেক প্রাণীর গলাসহ মাথা।
মৃত প্রাণীর চামড়া ব্যবহার করে বিশেষ কৌশলে তার মধ্যে জীবন্ত রূপ ফুটিয়ে তোলার বিদ্যাকে ট্যাক্সিডার্মি বলা হয়- এ কথা অনেকেরই অজানা নয়। এ সব পাখি বা প্রাণীর সামনে দাঁড়িয়ে অনেককেই ছবি তুলতে দেখা যায়। কেউ কেউ তোলেন সেলফিও।
এ ছবি বা সেলফি তোলার জন্য ফ্ল্যাশ ব্যবহারের ওপর কড়াকড়ি তেমন নেই। তবে এ ভবনের তলকুঠুরি বা বেসমেন্টে আছে মাছের অ্যাকুরিয়াম। সেখানে ফ্ল্যাশ ব্যবহারের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। মাছের স্বাস্থ্যের কথা ভেবেই এমনটি করা হয়েছে।
এখানে অনেক খনিজ শিলা সাজানো আছে। রয়েছে অনেক সামুদ্রিক প্রাণী, ঝিনুক, তারামাছ, শামুকসহ সাগরতলের বিরল প্রাণী শুকনো নমূনা। এ ছাড়া, যাদুঘরের প্রাঙ্গণে চমৎকার একটি উদ্যান আছে। এখানেও, কালো রাজহাঁস, পেলিক্যানসহ দুর্লভ কিছু জীবিত পাখিকে খাঁচায় রাখা আছে।
পার্সটুডে/মূসা রেজা/১২
খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন