ইরানের প্রথম সামরিক উপগ্রহের ব্যাপারে পেন্টাগনের প্রতিক্রিয়া
ভূপৃষ্ঠের কক্ষপথে ইরানের প্রথম কৃত্রিম সামরিক উপগ্রহ স্থাপনের ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর। পেন্টাগনের মুখপাত্র রবার্ট লডউইক বলেছেন, ওয়াশিংটন ইরানের কৃত্রিম উপগ্রহ কর্মসূচি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
ইরান বুধবার নূর (আলো)-১ নামের একটি সামরিক কৃত্রিম উপগ্রহকে সফলভাবে পৃথিবীর কক্ষপথে স্থাপন করে। এটিকে কক্ষপথ পর্যন্ত বহন করেছে ইরানের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি রকেট কাসেদ (বাহক)। আইআরজিসি'র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সামরিক উপগ্রহটি উৎক্ষেপণ করা হয়।
বার্তা সংস্থা এপি জানিয়েছে, পেন্টাগনের মুখপাত্র লডউইক বুধবারই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দাবি করেন, এ ঘটনা প্রমাণ করেছে ইরান আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করতে চায়।
তিনি বলেন, এটা ঠিক যে, এই মুহূর্তে ইরানের কাছে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র নেই; কিন্তু তা সত্ত্বেও আমেরিকার মোকাবিলায় কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষা করার যে চেষ্টা ইরান করছে তার ফলে দেশটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির দিকে অগ্রসর হতে পারে।
মার্কিন কর্মকর্তারা এর আগেও ইরানের শান্তিপূর্ণ মহাকাশ গবেষণা তৎপরতার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। তবে এ ব্যাপারে তেহরান বলেছে, নিজের প্রয়োজনে মহাকাশ গবেষণা কর্মসূচি চালিয়ে যাবে ইরান।#
পার্সটুডে/এমএমআই/২৩
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।