শত্রুরা দুঃসাহস দেখালে আমাদের যুবকরাও শুরুতেই তাদের গলা চিপে ধরবে: সালামি
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i85922-শত্রুরা_দুঃসাহস_দেখালে_আমাদের_যুবকরাও_শুরুতেই_তাদের_গলা_চিপে_ধরবে_সালামি
ইরানের প্রতিরক্ষা নীতির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। ইরানের ইসলামি বিপ্লব গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি পারস্য উপসাগরের উপকূলে একটি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর উন্মোচন করেন।
(last modified 2026-07-21T05:57:31+00:00 )
জানুয়ারি ০৯, ২০২১ ১৪:৪৭ Asia/Dhaka

ইরানের প্রতিরক্ষা নীতির অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া। ইরানের ইসলামি বিপ্লব গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি পারস্য উপসাগরের উপকূলে একটি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র শহর উন্মোচন করেন।

সামরিক ঘাঁটির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেজর জেনারেল হোসেইন সালামি বলেন আঞ্চলিক অখণ্ডতা, দেশের স্বাধীনতা এবং ইসলামি বিপ্লবের সাফল্যকে ধরে রাখাই আমাদের সামরিক কর্মসূচির উদ্দেশ্য। তিনি বলেন আমরা বিশ্বাস করি আমাদের শত্রুরা যুক্তির চেয়ে শক্তির ভাষাকে বেশি গুরুত্ব দেয়। তাই তাদের আধিপত্যবাদী চক্রান্তের বিরুদ্ধে আমাদের আক্রমণাত্মক এবং প্রতিরক্ষামূলক সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।

বাস্তবতা হচ্ছে জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নে ইসলামি ইরান কোন ঠাট্টা মশকরা করে না আর এ কারণেই যেকোনো হুমকির উপযুক্ত জবাব দেয়ার জন্য সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করে চলেছে ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ী সম্প্রতি এক ভাষণে বলেছেন, ইরানের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে আন্তর্জাতিক বলদর্পী শক্তিগুলোর পক্ষ থেকে যেকোন আগ্রাসন মোকাবেলা করা। তিনি ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দামের বিমান হামলা মোকাবেলায় সেসময় ইরানের দুর্বলতার কথা উল্লেখ করে বলেছেন, সে সময় ইরাকের বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা মোকাবেলায় ইরানের সামর্থ্য ছিলনা। কিন্তু এখন ইরান এক্ষেত্রে এমন এক অবস্থানে পৌঁছেছে যে ইরানের আকাশে প্রবেশ করা মাত্রই আমেরিকার সবচেয়ে শক্তিশালী ড্রোন ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনী। তাই শত্রুরা ইরানের সামরিক শক্তির বিষয়টি হিসাব করতে বাধ্য হচ্ছে।

আজ থেকে এক বছর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের আইআরজিসির কুদস ব্রিগেডের প্রধান জেনারেল কাশেম সোলাইমানিকে হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এর জবাবে ইরান ইরাকে মার্কিন ঘাটিতে ১৩টি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্য দিয়ে ইরান প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতার প্রমাণ বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে। অর্থাৎ ইরানকে আঘাত করে কেউ পার পাবে না এবং যেকোন আগ্রাসনের জবাব দিতে তেহরান প্রস্তুত রয়েছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ইরান এত দূর এগিয়েছে যে ড্রোন প্রযুক্তিতে বর্তমানে ইরানের অবস্থান বিশ্বে পঞ্চম এবং রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এমন ড্রোন নির্মাণে ইরানের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়।

যাইহোক ইরানের সামরিক শক্তিতে বলিয়ান হওয়ার অর্থ এটা কারো জন্য হুমকি নয় বরং যেমনটি হোসেইন সালামি বলেছেন শত্রুরা যদি কোন দুঃসাহস দেখায় তাহলে আমাদের সাহসী যুবকরা শুরুতেই তাদের গলা চেপে ধরবে।#

পার্সটুডে/রেজওয়ান হোসেন/৯