তেহরানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করলো বাংলাদেশ দূতাবাস
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i85943-তেহরানে_বঙ্গবন্ধুর_স্বদেশ_প্রত্যাবর্তন_দিবস_পালন_করলো_বাংলাদেশ_দূতাবাস
তেহরানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে আজ ১০ জানুয়ারি যথাযথ মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন, কবিতা আবৃত্তি, অভ্যাগতদের মাঝে মুজিব বর্ষ উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বিশেষ স্মারক ব্যাচ বিতরণ, বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মা এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জানুয়ারি ১০, ২০২১ ১৮:২৭ Asia/Dhaka
  • তেহরানে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালন করলো বাংলাদেশ দূতাবাস

তেহরানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে আজ ১০ জানুয়ারি যথাযথ মর্যাদায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন, কবিতা আবৃত্তি, অভ্যাগতদের মাঝে মুজিব বর্ষ উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি কর্তৃক প্রস্তুতকৃত বিশেষ স্মারক ব্যাচ বিতরণ, বঙ্গবন্ধুর বিদেহী আত্মা এবং দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

আলোচনা সভার শুরুতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। ইরানে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূত এএফএম গওসোল আযম সরকারের সভাপতিত্বে দূতালয় প্রধান মোঃ হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলাদেশের ইতিহাসে ১০ জানুয়ারির পটভূমি, গুরুত্ব এবং তাৎপর্য এবং বঙ্গবন্ধুর জীবনের বিভিন্ন দিক, সংগ্রাম ও অবদানের উপর আলোকপাত করেন। আলোচনায় দূতাবাসের কমার্সিয়াল কাউন্সিলর ড. জুলিয়া মঈনের পাশাপাশি মোঃ সামিউল হোসেন, মোস্তফা কামাল এবং গোলাম রব্বানি আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন। এছাড়া সাহিত্যিক কবির চান্দ সভায় বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের উপর স্বরচিত ছড়া পাঠ করেন।

রাষ্ট্রদূত এএফএম গওসোল আযম সরকার বলেন, “জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতা ঘোষণা এবং যুগান্তকারী আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলার আপামর জনগণ মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল এবং দখলদার পাকিস্তানী বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল। ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি জাতির জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে সে বিজয় পূর্ণতা লাভ করেছিল। বঙ্গবন্ধু কেবল স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাই ছিলেন না,জাতিগঠনের কুশলী কারিগরও ছিলেন। দেশে ফিরেই অতি অল্প সময়ের মধ্যে তিনি ভারতীয় সেনাদের ফেরত পাঠাতে,জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় রচিত চমৎকার সংবিধান উপহার দিতে এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায়ে সক্ষম হন।”

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে মাত্র সাড়ে তিন বছরে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশ অবকাঠামো ও সমাজ বিনির্মাণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জন করে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ১৫ আগস্ট জাতির জনকের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে তার সোনার বাংলা নির্মাণের স্বপ্ন বিঘ্নিত হয।

বিগত কয়েক বছরে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের উদাহরণ তুলে ধরে রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, "জাতির সৌভাগ্য যে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তাঁর ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১ এর আওতায় বাংলাদেশ পুনরায় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় রূপান্তরিত হতে চলেছে।" তিনি উপস্থিত সকলকে যার যার নিজ নিজ অবস্থান থেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে জাতীয় উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে কাজ করে অবদান রাখার আহ্বান জানান।

বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারীর বিষয়টি বিবেচনায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে আজকের দিবসের নানা কর্মসূচি পালন করা হয়।#

পার্সটুডে/পিআর/এসএ/১০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।