বাংলাদেশে কোরবানির পশু: মোটাতাজার ওষুধ ব্যবহার রোধের আহবান ক্যাবের
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i124292-বাংলাদেশে_কোরবানির_পশু_মোটাতাজার_ওষুধ_ব্যবহার_রোধের_আহবান_ক্যাবের
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশি গরু দিয়েই কোরবানির প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। দেশে এবার কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা প্রায় এক কোটি ২৫ লাখ।
(last modified 2026-04-19T07:31:14+00:00 )
জুন ১১, ২০২৩ ১৫:২০ Asia/Dhaka

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহায় দেশি গরু দিয়েই কোরবানির প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ সরকার। দেশে এবার কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর সংখ্যা প্রায় এক কোটি ২৫ লাখ।

এ তথ্য জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ।  ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকার সাদিক এগ্রো পরিদর্শন করে তিনি বলেন, ব্যবসায়ী ও খামারিদের স্বার্থে ভারত ও মিয়ানমার থেকে অবৈধ পথে গরু প্রবেশে সীমান্তে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। বন্ধ আছে মাংস আমদানিও। পাশাপাশি খামারিদের ব্যবসা নির্বিঘ্ন করতে সব ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সচিব বলেন, গত বছর কোরবানিরযোগ্য পশু ছিল ১ কোটি ২১ লাখ। কিন্তু গত বছর ঈদুল আজহায় ৯৯ লাখ ৫০ হাজার পশু কোরবানি হয়েছিল। সেই হিসাবে এবার কোরবানি বাড়লেও পশুর সংকট হবে না।এ উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশে প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ গবাদিপশুর শেষ মুহূর্তের পরিচর্যা নিয়ে ৭ লাখ খামারিরা ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। পশু সুস্থ ও সবল রাখার জন্য জেলা ও উপজেলার প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারাও  সর্বক্ষণ বিষয়টি তদারকি করছেন।

খামারী বলছেন, বর্তমানে এক বস্তা ভালো মানের গমের ভুষি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকায়। কয়েক মাস আগে ছিল ৯৫০ থেকে এক হাজার টাকা। একই ভাবে মাসকলাইয়ের ভুষির বস্তা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৪৫০ টাকা। দুই থেকে তিন মাস আগেও এর দাম ছিল এক হাজার ১০০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা। এক বস্তা খৈল বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ২০০ টাকা। যা কয়েকমাস আগে ২ হাজার ৫০০ থেকে ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হতো। দাম বেড়েছে শুকনো খড়ের। বর্তমানে এক মণ খড় বিক্রি হচ্ছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা।

পশু খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে চিন্তিত খামারীরা। এ কারণে আসন্ন ঈদে গবাদিপশুর বাজার চড়া থাকতে পারে ধারনা তাদের। তবে পশুর সঠিক মূল্য পাবে কিনা তা নিয়েও দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন খামারিরা।বিদেশ থেকে পশু আমদানি করলে তারা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। ক্ষুদ্র খামারিরা একবার ক্ষতিগ্রস্ত হলে তারা আর গবাদিপশু পালন নাও করতে পারেন। তাই চোরাই পথে বা পশু আমদানি না করলে ক্ষুদ্র কৃষকরা লাভবান হবে।

কৃষকরা বলছেন, গ্রাম-গঞ্জে যেভাবে তারা পশু প্রস্তুত করছেন তাতে কোন ভেজাল নেই। ভাল ও স্বাস্থ্যসম্মত মাংস পাওয়া যাবে তাদের পশু থেকে। কিন্তু পশু চিকিৎসকরা জানান, শেষ মুহূর্তের মোটাতাজা করার কাজ এখন পুরোদমে চলছে। তবে কেউ পশু মোটাতাজা করতে ক্ষতিকর ওষুধ সেবন করাচ্ছে কি না তারও খোঁজ নেয়া হচ্ছে।এবিষয়ে কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ক্যাব এর সিনিয়র সহসভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন,কোরবানির পশু হতে হবে সকল ধরনের ভ্জোল মুক্ত। যারা পশু  মোটাতাজা করতে ক্ষতিকর ওষুধ  ব্যবহার করবে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। #

পার্সটুডে/বাদশাহ রহমান/১১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।