ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ঐতিহাসিক অবিচারের ক্ষতিপূরণ হবে: রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i155568-ফিলিস্তিনি_রাষ্ট্র_প্রতিষ্ঠার_মাধ্যমে_ঐতিহাসিক_অবিচারের_ক্ষতিপূরণ_হবে_রুশ_পররাষ্ট্রমন্ত্রী
পার্সটুডে- রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ফিলিস্তিন ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সংঘাতের নিরসন হতে পারে এবং ঐতিহাসিক অন্যায়-অবিচারের ইতি ঘটতে পারে।
(last modified 2025-12-29T10:54:34+00:00 )
ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫ ১৯:০৭ Asia/Dhaka
  • ল্যাভরভ
    ল্যাভরভ

পার্সটুডে- রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেছেন, একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ফিলিস্তিন ও ইহুদিবাদী ইসরায়েলের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সংঘাতের নিরসন হতে পারে এবং ঐতিহাসিক অন্যায়-অবিচারের ইতি ঘটতে পারে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরও বলেন- ফিলিস্তিন ইস্যুর মূল বিষয় হলো ঐতিহাসিক অবিচার শুধরে নেওয়া এবং একটি টেকসই ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ সৃষ্টি করা।

পার্সটুডে’র প্রতিবেদনে আরও বলা হয়- ল্যাভরভ আরও বলেছেন, রাশিয়া ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে ন্যায়সঙ্গতভাবে সংঘাত সমাধানের পক্ষে সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং একটি স্থিতিশীল ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের পথে অন্যতম প্রধান উপাদান হিসেবে বিবেচনা করে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মাঠপর্যায়ের অস্থিরতার মূল কারণ হলো শান্তি চুক্তিগুলো বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তা; এই সমস্যা সমাধান না হলে ফিলিস্তিনি ও ইহুদিদের জন্য এবং সামগ্রিকভাবে গোটা অঞ্চলের জন্য টেকসই শান্তি নিশ্চিত করা যাবে না।

ল্যাভরভ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের হালনাগাদ সংস্করণ সম্পর্কে বলেন, এই নথিটি রাশিয়া ও আমেরিকার চলমান সংলাপের সঙ্গে সাংঘর্ষিক নয়; তবে মস্কো এটি ওয়াশিংটনের বাস্তব পদক্ষেপের ভিত্তিতে মূল্যায়ন করবে।

রাশিয়ার শীর্ষ কূটনীতিক আরও বলেন, এই কৌশলে প্রথমবারের মতো ন্যাটোর সম্প্রসারণের ধারণা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে এবং এতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক প্রতিরোধ নীতি প্রয়োগের কোনো আহ্বান নেই।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলের মূল নীতিগুলোকে বাস্তব পদক্ষেপের মাধ্যমে সমর্থন দিতে হবে এবং এর বাস্তবায়নকে ওয়াশিংটনের আন্তর্জাতিক অবস্থান পুনর্বিবেচনার একটি লক্ষণ হিসেবে বর্ণনা করা যায়।#

পার্সটুডে/এসএ/২৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন