গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় আরও ৭ জন শহীদ হয়েছেন
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i162558-গত_২৪_ঘণ্টায়_গাজায়_আরও_৭_জন_শহীদ_হয়েছেন
পার্সটুডে-ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৪৩৮ জন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪৭ জন আহত হয়েছেন।
(last modified 2026-08-27T11:24:50+00:00 )
আগস্ট ২৭, ২০২৬ ১৬:১১ Asia/Dhaka
  • গাজায় শহীদের সংখ্যা
    গাজায় শহীদের সংখ্যা

পার্সটুডে-ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৭৩ হাজার ৪৩৮ জন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪৭ জন আহত হয়েছেন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বুধবার জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন হাসপাতালে ৭ শহীদের মরদেহ এবং ১০ জন আহতকে নেওয়া হয়েছে।

নতুন হামলায় ৫ ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছেন এবং আগে আহত হওয়া আরও ২ জন গুরুতর আঘাতের কারণে মৃত্যুবরণ করেছেন।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখনো বহু মানুষ ধ্বংসস্তূপের নিচে ও রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। জরুরি সেবা ও উদ্ধারকারী দলগুলো এখনো তাদের কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হয় নি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১ হাজার ৩০৩ জন ফিলিস্তিনি শহীদ এবং ৪ হাজার ৩৩৬ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৮১৪ জন শহীদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হিসাবে, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে গাজায় মোট ৭৩ হাজার ৪৩৮ জন শহীদ এবং ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৪৭ জন আহত হয়েছেন।

অন্যদিকে, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পশ্চিম তীরে ইহুদি বসতিগুলোর জন্য নতুন প্রভাববলয় অনুমোদন করা দখলদার ইসরায়েলি সরকারের ফ্যাসিবাদী বসতি সম্প্রসারণ নীতিরই ধারাবাহিকতা। এর লক্ষ্য আরও ফিলিস্তিনি ভূমি দখল ও আত্মসাৎ করা এবং শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে সংযুক্তিকরণ ও জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির বাস্তবতা চাপিয়ে দেওয়া।

হামাস পশ্চিম তীরে ভূমি দখল বৃদ্ধি, প্রতিদিন নতুন নতুন এলাকা উচ্ছেদ, সেখানকার মানুষের জীবনযাপনের সুযোগ-সুবিধা ও মৌলিক উপাদান কেড়ে নেওয়া এবং বিভিন্ন এলাকার মধ্যে ভৌগোলিক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে সেগুলোকে বিচ্ছিন্ন জনপদে পরিণত করার বিষয়ে সতর্ক করেছে।

হামাস আরও বলেছে, বসতি সম্প্রসারণের এসব পরিকল্পনা ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডের ওপর দখলদার সরকারের কোনো অধিকার বা সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না এবং এর মাধ্যমে তাদের জন্য নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাও নিশ্চিত হবে না।#