মসুল অভিযানে হস্তক্ষেপ করলে তুর্কি সেনাদের ওপর হামলা হবে: ইরাক
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i22243-মসুল_অভিযানে_হস্তক্ষেপ_করলে_তুর্কি_সেনাদের_ওপর_হামলা_হবে_ইরাক
উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল বা দায়েশের হাত থেকে মসুল শহর মুক্ত করার অভিযানে তুর্কি বাহিনী হস্তক্ষেপ করলে তাদের ওপর ইরাকি বাহিনী হামলা চালাতে পারে। ইরাকের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। দায়েশের হাত থেকে মসুলকে মুক্ত করতে ইরাকের সরকারি বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবী যোদ্ধারা একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে।
(last modified 2026-04-19T07:31:14+00:00 )
অক্টোবর ০৭, ২০১৬ ১৪:০৪ Asia/Dhaka
  • ইরাকি বাহিনী (২৪ সেপ্টেম্বরের ছবি)
    ইরাকি বাহিনী (২৪ সেপ্টেম্বরের ছবি)

উগ্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী আইএসআইএল বা দায়েশের হাত থেকে মসুল শহর মুক্ত করার অভিযানে তুর্কি বাহিনী হস্তক্ষেপ করলে তাদের ওপর ইরাকি বাহিনী হামলা চালাতে পারে। ইরাকের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। দায়েশের হাত থেকে মসুলকে মুক্ত করতে ইরাকের সরকারি বাহিনী ও স্বেচ্ছাসেবী যোদ্ধারা একটি বড় সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে। ফলে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরাক ও তুরস্কের মধ্যে উত্তেজনা বেড়েই চলেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর এক কর্মকর্তা অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘মিডল ইস্ট আইকে’ এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “বাগদাদ স্পষ্ট করতে চায় যে, ইরাকি ভূখণ্ডে তুর্কি সেনাদের কোন ভূমিকাই নেই। ইরাক সরকার রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে এই ‘হানাদার বাহিনী’ মোকাবেলা করার চেষ্টা করছে।”

ইরাকের সরকার ও স্বেচ্ছাসেবী যোদ্ধারা মনে করেন, দায়েশ সন্ত্রাসীদের জন্য ‘প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দিতে’ এবং ‘মসুল শহরের ভেতরে প্রতিষ্ঠা পেতে’ মসুল শহরের কাছে সেনা মোতায়েন করে রেখেছে তুরস্ক।

গত বছরের ডিসেম্বরে ইরাকের উত্তরে নেইনাভা প্রদেশের রাজধানী মসুলের কাছেই তুরস্ক ২০ থেকে ২৫টি ট্যাংকসহ ভারী অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত ১৫০ জন সেনা মোতায়েন করে। ২০১৪ সালে দায়েশ মসুল শহরটি দখল করেছিল।

এই সেনা মোতায়েন দায়েশবিরোধী লড়াইয়ে ইরাকের কুর্দি পেশমার্গা বাহিনীকে প্রশিক্ষিত ও সজ্জিত করার অভিযানের অংশ ছিল বলে আঙ্কারা দাবি করে আসছে। কিন্তু ইরাকের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করায় বাগদাদ একে অনুমোদনহীন পদক্ষেপ বলে সমালোচনা করেছে। 

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-এবাদি বলেছেন, ইরাকে তুর্কি বাহিনীর উপস্থিতি মুক্তি অভিযানে কেবল জটিলতাই বাড়াবে। ইরাকি সেনারা এই অভিযান চালাবে এবং এতে কোনো বিদেশি সেনা থাকবে না। তুরস্কের এই উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড একটি নতুন ‘আঞ্চলিক যুদ্ধের’ সূচনা করতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন এবাদি।#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/৭