ইরাকের মসুলে গণকবরে মাইন ও বোমার ফাঁদ পেতে রেখেছিল দায়েশ
মানবাধিকার গোষ্ঠী হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বা এইচআরডব্লিউ বলেছে, ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় নগরী মসুলে শত শত বন্দিকে হত্যা করেছে তাকফিরি সন্ত্রাসীগোষ্ঠী দায়েশ। পরে হতভাগ্যদের গণকবর দিয়েছে এবং দেশটিতে এ পর্যন্ত যেসব গণকবর পাওয়া গেছে এটি তার মধ্য বৃহত্তম। এছাড়া, আরো মানুষ হত্যার লক্ষ্যে গণকবরের স্থানটিতে মাইন এবং বোমার ফাঁদ পেতে রেখেছিল দায়েশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক মানবাধিকার গোষ্ঠীকে বলেছে, নিহতদের মধ্যে ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর অনেক সদস্য রয়েছেন। এদের সবাইকে ২০১৪ সালের জুন থেকে ২০১৫ সালের মে বা জুন মাসের মধ্যে হত্যা করা হয়েছে। মসুলের পশ্চিমাঞ্চলে একটি খাদের মধ্যে এসব ব্যক্তিকে গণভাবে মাটি চাপা দেয়া হয়েছে বলে তারা জানান।
এ ছাড়া, গণকবর দেয়ার পর ওই এলাকায় মাইন এবং বোমার ফাঁদ পেতে রেখেছিল সন্ত্রাসীরা। ইরাকিদের হত্যার জন্য এসব পৈশাচিক পদ্ধতির আশ্রয় নেয়া হয়েছিল বলে জানান এইচআরডব্লিউ’র মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক উপ-পরিচালক লামা ফাকিহ।
তিনি আরো বলেন, এ গণকবর থেকে দেহাবশেষ উত্তোলন করা সম্ভব হলে তা আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে করা উচিত হবে।
গত মাসের মাঝামাঝিতে ইরাক বাহিনী এ এলাকা মুক্ত করে এবং হিউম্যান রাইটস চলতি মাসের ৭ তারিখে এ এলাকা সফর করেছে। তবে মাইন পেতে রাখার কারণে তাদের পক্ষে এ গণকবরের ভেতরে যাওয়া সম্ভব হয় নি।#
পার্সটুডে/মূসা রেজা/২২