‘নিরাপদ অঞ্চলে জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক যেতে দেবে না সিরিয়া’
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i37536-নিরাপদ_অঞ্চলে_জাতিসংঘ_পর্যবেক্ষক_যেতে_দেবে_না_সিরিয়া’
সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-মুয়াল্লেম বলেছেন, তার দেশে সম্প্রতি যে নিরাপদ অঞ্চল গঠন করা হয়েছে তার বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য জাতিসংঘসহ কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থাকে অনুমতি দেবে না দামেস্ক সরকার।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
মে ০৮, ২০১৭ ১৭:০৪ Asia/Dhaka
  • সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-মুয়াল্লেম
    সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-মুয়াল্লেম

সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল-মুয়াল্লেম বলেছেন, তার দেশে সম্প্রতি যে নিরাপদ অঞ্চল গঠন করা হয়েছে তার বাস্তবায়ন পর্যবেক্ষণের জন্য জাতিসংঘসহ কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থাকে অনুমতি দেবে না দামেস্ক সরকার।

গত সপ্তাহে কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনার সময় ইরান ও তুরস্কের সমর্থনে সিরিয়ায় নিরাপদ অঞ্চল গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয় রাশিয়া। গত শুক্রবার মধ্যরাত থেকে এ চুক্তি বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।

নিরাপদ অঞ্চল বাস্তবায়নের বিষয়ে জাতিসংঘ কিংবা আন্তর্জাতিক কোনো সংস্থার ভূমিকা সম্পর্কে আজ (সোমবার) এক সংবাদ সম্মেলনে মুয়াল্লেম বলেন, এ ধরনের কোনো সংস্থারই কোনো ভূমিকা নেয়ার প্রয়োজন নেই। তিনি বলেন, যেমনটি রাশিয়া বলেছে- নিরাপদ অঞ্চলে প্রয়োজন রয়েছে মিলিটারি পুলিশের। তবে সিরিয়া থেকে নাকি বিদেশ থেকে এই মিলিটারি পুলিশের ইউনিট গঠন করা হবে তা তিনি পরিষ্কার করেন নি। সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো এই নিরাপদ অঞ্চল গঠন সংক্রান্ত চুক্তির শর্তগুলো পূরণ করবে ততক্ষণ পর্যন্ত দামেস্ক সরকারও তা মেনে চলবে। মুয়াল্লেম বলেন, যেসব গোষ্ঠী এই চুক্তিতে সই করেছে তাদের দায়িত্ব হচ্ছে উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোকে এসব এলাকা থেকে উচ্ছেদে ভূমিকা রাখা। তাদের এই ভূমিকা নিরাপদ অঞ্চল গঠনকে অর্থবহ করে তুলবে।

নিরাপদ অঞ্চলের ভেতরে পড়েছে সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় ইদলিব প্রদেশ, পশ্চিমাঞ্চলীয় উপকূলবর্তী লাতাকিয়া প্রদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, আলেপ্পো প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চল এবং হামা প্রদেশের উত্তরাঞ্চল। এছাড়া, আরো কিছু ছোট ছোট এলাকা রয়েছে নিরাপদ অঞ্চলের আওতায়।#

পার্সটুডে/সিরাজুল ইসলাম/৮