তুরস্কে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে ৮,০০০ পুলিশ বরখাস্ত
https://parstoday.ir/bn/news/world-i14926-তুরস্কে_ব্যর্থ_সেনা_অভ্যুত্থানে_জড়িত_থাকার_অভিযোগে_৮_০০০_পুলিশ_বরখাস্ত
তুরস্কে শুক্রবার রাতের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় ৮,০০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া, শত শত জেনারেলসহ প্রায় ৬,০০০ সেনা কর্মকর্তা ও বিচারককে আটক করা হয়েছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুলাই ১৮, ২০১৬ ১৩:৫৬ Asia/Dhaka
  • আটক করা হয় শতাধিক জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে
    আটক করা হয় শতাধিক জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে

তুরস্কে শুক্রবার রাতের ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে জড়িত থাকার অভিযোগে প্রায় ৮,০০০ পুলিশ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া, শত শত জেনারেলসহ প্রায় ৬,০০০ সেনা কর্মকর্তা ও বিচারককে আটক করা হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে অভ্যুত্থান প্রচেষ্টাকারী ‘ভাইরাস’ থেকে মুক্ত করা হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি তুরস্কে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশগ্রহণকারী কেরি তুরস্কের নির্বাচিত নেতৃত্বের প্রতি তার দেশের সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন।

তুর্কি সরকার এ অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার জন্য আমেরিকা প্রবাসী ধর্মীয় নেতা ফেতুল্লাহ গুলেনকে দায়ী করেছে। তবে গুলেন এ ঘটনায় নিজের জড়িত থাকার কথা কঠোরভাবে অস্বীকার করেছেন।

তুরস্কের রাষ্ট্র নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম আজ (সোমবার) জানিয়েছে, সারাদেশ থেকে অন্তত ১০০ জেনারেল ও অ্যাডমিরালকে আটক করা হয়েছে। ওদিকে হেলিকপ্টারে করে গ্রিসে পালিয়ে যাওয়া আট তুর্কি সেনা কর্মকর্তাকে আজ গ্রিসের সীমান্ত শহর আলেক্সান্দ্রোপুলি শহরের একটি আদালতে হাজির করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে গ্রিসে প্রবেশের অভিযোগ আনা হয়েছে এবং আগামীকাল মঙ্গলবার এ অভিযোগের পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। এসব সেনা কর্মকর্তা গ্রিসে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলেও আঙ্কারা তাদেরকে তুর্কি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগান রোববার এক জনসভায় বলেছেন, তিনি দেশে মৃত্যুদণ্ডের বিধান পুনঃপ্রবর্তনের বিষয়টি বিবেচনা করছেন। এর অর্থ হচ্ছে, অভ্যুত্থানে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের মৃত্যুদণ্ড দিতে চান এরদোগান।

ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবেশের শর্ত হিসেবে ২০০৪ সালে তুরস্কে মৃত্যুদণ্ড বিলুপ্ত করা হয়। অবশ্য ১৯৮৪ সালের পর থেকে দেশটিতে কোনো মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়নি।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৮