ট্রাম্পের কারণে ফুজাইরা বন্দর অকেজ হলো: জাহাজ পাঠিয়েও লাভ হলো না
https://parstoday.ir/bn/news/world-i159244-ট্রাম্পের_কারণে_ফুজাইরা_বন্দর_অকেজ_হলো_জাহাজ_পাঠিয়েও_লাভ_হলো_না
পার্সটুডে- প্রথমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ ঘোষণা করেন তিনি ইরানের সম্মতি ছাড়াই জোরপূর্বক হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে চান!
(last modified 2026-05-08T06:00:22+00:00 )
মে ০৮, ২০২৬ ১১:৪৭ Asia/Dhaka
  • ট্রাম্পের কারণে ফুজাইরা বন্দর অকেজ হলো
    ট্রাম্পের কারণে ফুজাইরা বন্দর অকেজ হলো

পার্সটুডে- প্রথমে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হঠাৎ ঘোষণা করেন তিনি ইরানের সম্মতি ছাড়াই জোরপূর্বক হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে চান!

পরের দিন, মার্কিন সেনাবাহিনী ঘোষণা করে তারা সামরিক সহায়তায় জাহাজগুলোকে নিরাপদে প্রণালী পার করিয়ে ইরানের মনোবল ভেঙে দিতে চায়!

এরপর, আমেরিকার ডেস্ট্রয়ারগুলো তৎপরতা শুরু করে। কিন্তু বেশিরভাগ জাহাজই তাদের জায়গা থেকে নড়ল না কারণ তারা জানত যে আমেরিকা একটি পুতুল মাত্র। তবে, একটি বা দুটি জাহাজ, প্রণালী পার হওয়ার চেষ্টা করায় তাদেরকে জ্বালিয়ে দেয়া হয়।  

এরই মধ্যে, সংযুক্ত আরব আমিরাতও দাবি করেছে যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে ফুজাইরাহতে আগুন লাগানো হয়েছে! ঠিক কোথা থেকে এই কথিত হামলাগুলো চালানো হয়েছিল তা স্পষ্ট ছিল না। কিন্তু যাই হোক, ফুজাইরাহ জ্বলছিল!

হামলাকারী জাহাজগুলোতে আগুন লেগে গেল, ফুজাইরাহ পুড়ল! ডেস্ট্রয়ারগুলোও প্রণালীর মাঝখানে আটকে গেল; এমনভাবে যেন তারা একে অপরকে জিজ্ঞেস করছিল, আমরা প্রথমত এখানে এসেছিলাম কেন?

এরপরই ট্রাম্প দ্রুত তার অভিযানের ব্যর্থতা ঘোষণা করেন; কিন্তু জাহাজগুলো পুড়ে গিয়েছিল এবং ফুজাইরাতে আগুন লেগেছিল; আর এখন ডেস্ট্রয়ারগুলোও আটকা পড়েছে।

আজ রাতে ট্রাম্প আটকা পড়া ডেস্ট্রয়ারগুলোকে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেন; তবে, ফেরার পথে তারা ইরানি নৌবাহিনীর তীব্র আক্রমণের মুখে পড়ে।

সুতরাং, পুরো ঘটনাটি হলো: ডেস্ট্রয়ারগুলো এসেছিল, আটকে গিয়েছিল এবং ফিরে গিয়েছিল; প্রণালীটি ইরানের দখলেই থেকে গেল! শুধুমাত্র কোরিয়ান জাহাজ এবং আরও কয়েকটিতে আগুন লেগেছিল, আর ফুজাইরা, যার উল্লেখযোগ্য অংশ পুড় ধ্বংস হয়ে গেছে বলে আমিরাত জানিয়েছে!#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/৮

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন