ইমাম মুহাম্মদ বাকের (আ.)’র বুদ্ধিবৃত্তিক আদর্শ আজও সমসাময়িক বিশ্বের জন্য প্রেরণাদায়ক
https://parstoday.ir/bn/news/world-i159660-ইমাম_মুহাম্মদ_বাকের_(আ.)’র_বুদ্ধিবৃত্তিক_আদর্শ_আজও_সমসাময়িক_বিশ্বের_জন্য_প্রেরণাদায়ক
পার্সটুডে- বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)’র বংশধর ইমাম মুহাম্মদ বাকের (আ.)’র শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ভ্যাটিকানে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ইমামকে রাজনৈতিক, আধ্যাত্মিক এবং পরিচয় সংকটের যুগে ইসলামের প্রজ্ঞা ও জ্ঞাগত কর্তৃত্ব পুনর্গঠনের একটি বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের স্থপতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
(last modified 2026-05-25T06:24:49+00:00 )
মে ২৫, ২০২৬ ১২:২২ Asia/Dhaka
  • • ভ্যাটিকানে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হোসেন মোখতারি
    • ভ্যাটিকানে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হোসেন মোখতারি

পার্সটুডে- বিশ্বনবী হযরত মোহাম্মদ (সা.)’র বংশধর ইমাম মুহাম্মদ বাকের (আ.)’র শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে ভ্যাটিকানে নিযুক্ত ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের রাষ্ট্রদূত ইমামকে রাজনৈতিক, আধ্যাত্মিক এবং পরিচয় সংকটের যুগে ইসলামের প্রজ্ঞা ও জ্ঞাগত কর্তৃত্ব পুনর্গঠনের একটি বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের স্থপতি হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

ইরনাকে উদ্ধৃত করে পার্সটুডে জানিয়েছে, ভ্যাটিকানে নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ হোসেন মোখতারি তার এক নোটে লিখেছেন, ইমাম মুহাম্মদ বাকের (আ.)’র শাহাদাত শুধুমাত্র শিয়া ইমামদের একজনের হারানোর কথা স্মরণ করিয়ে দেয় না বরং ইসলামী চিন্তাধারার ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়কাল নিয়ে ভাবার সুযোগ এনে দেয়। এমন এক সময় যখন মুসলিম বিশ্ব ব্যাপক রাজনৈতিক, জ্ঞানতাত্ত্বিক এবং পরিচয় সংকটের সম্মুখীন হয়েছিল এবং ইমাম মুহাম্মদ বাকের (আ.) এই অস্থিরতার মধ্যে ইসলামের বৈজ্ঞানিক ও জ্ঞানতাত্ত্বিক কর্তৃত্ব পুনর্গঠনের জন্য বৃহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

মোহাম্মদ হোসেইন মোখতারি আরও বলেন, ইমাম মুহাম্মদ বাকির (আঃ) প্রকৃতপক্ষে এমন একটি বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলনের স্থপতি ছিলেন, যা মুসলিম সভ্যতার অন্যতম সংকটময় সময়ে ধর্মীয় উপলব্ধির ভিত্তি পুনর্গঠন করতে এবং জ্ঞান ও আধ্যাত্মিক বিচ্যুতি রোধ করতে সক্ষম হয়েছিল এবং তাঁর বুদ্ধিবৃত্তিক আদর্শ আজও সমসাময়িক বিশ্বকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে।

ভ্যাটিকানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেন, যখন মুসলিম সমাজ রাজনৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছিল, তখন ইমাম মুহাম্মদ বাকের (আ.) ধর্মীয় দর্শন ও যুক্তিকে শক্তিশালী করা, অভিজাতদের শিক্ষিত করা, বুদ্ধিবৃত্তিক সংলাপ, কুরআনের দিকে প্রত্যাবর্তন এবং জ্ঞানতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণের মাধ্যমে একটি সমাধান খুঁজেছিলেন। এই আদর্শ আজকের মুসলিম বিশ্ব এবং এমনকি মানব সমাজের জন্যও অনুপ্রেরণাদায়ক; বিশেষ করে এমন এক সময়ে যখন পরিচয় সংকট, চরমপন্থা, ধর্মীয় জ্ঞানের অভাব মারাত্মক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। এই দৃষ্টিকোণ থেকে, ইমাম মুহাম্মদ বাকের (আ.) শুধু একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বই নন বরং সমসাময়িক বিশ্বে বৈজ্ঞানিক ও নৈতিক কর্তৃত্ব পুনর্গঠনের এক জীবন্ত আদর্শও বটে।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/২৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।