ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির কথা জানাল সিএনএন
https://parstoday.ir/bn/news/world-i160034-ইরানের_বিরুদ্ধে_যুদ্ধে_মার্কিন_বিমানবাহী_রণতরীর_ব্যাপক_ক্ষয়ক্ষতির_কথা_জানাল_সিএনএন
পার্সটুডে- মার্কিন টিভি চ্যানেল সিএনএন একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিমানবাহী রণতরীর ক্ষয়ক্ষতি মার্কিন সামরিক বাহিনীর ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি।
(last modified 2026-06-05T12:08:31+00:00 )
জুন ০৫, ২০২৬ ১৫:১৩ Asia/Dhaka
  • • মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড
    • মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড

পার্সটুডে- মার্কিন টিভি চ্যানেল সিএনএন একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিমানবাহী রণতরীর ক্ষয়ক্ষতি মার্কিন সামরিক বাহিনীর ঘোষিত পরিমাণের চেয়ে অনেক বেশি।

ইরানি ব্রডকাস্টিং এজেন্সিকে উদ্ধৃত করে পার্সটুডে জানিয়েছে, সিএনএন ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বিমানবাহী রণতরীতে লাগা আগুনের একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে এবং লিখেছে যে মার্কিন সামরিক বাহিনী ক্ষয়ক্ষতি ও ঘটনার প্রকৃত পরিমাণের চেয়ে অনেক কম ঘোষণা করেছে।

মার্কিন নৌবাহিনী এর আগে এক বিবৃতিতে জানিয়েছিল, আগুন "নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে", দুই নাবিককে প্রাণঘাতী নয় এমন আঘাতের জন্য চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে এবং জাহাজটি "সম্পূর্ণ সচল" রয়েছে। তবে, সিএনএন নতুন ছবি এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবৃতির বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জাহাজটির নাবিকদের থাকার জায়গার কিছু অংশ সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে এবং আগুনের কারণে বিছানাগুলো পুড়ে গলিত ধাতুতে পরিণত হয়েছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যমটি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে আরও লিখেছে, এই অঞ্চলে মোতায়েন থাকাকালীন ফোর্ড জাহাজটি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ভয়াবহ হামলার সম্মুখীন হয়েছিল। প্রতিবেদনে জাহাজটির একজন নাবিকের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে: "আমি সত্যিই ভেবেছিলাম আমরা জাহাজটি হারাতে চলেছি।" সিএনএন জানিয়েছে, জেরাল্ড আর. ফোর্ড জাহাজটি ভার্জিনিয়ায় ঘাঁটিতে ফেরার পর দীর্ঘ মেরামত করতে হয়েছে এবং সম্ভবত অন্তত এক বছরের জন্য এটি পরিষেবার বাইরে থাকবে।

নতুন জরিপ; বেশিরভাগ আমেরিকান ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধের অবিলম্বে সমাপ্তি চান

এদিকে, দ্য ইকোনমিস্ট এবং ইউগভ-এর একটি নতুন জরিপে দেখা গেছে, প্রায় ৭০ শতাংশ আমেরিকান বিশ্বাস করেন যুক্তরাষ্ট্রের উচিত ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ "যত তাড়াতাড়ি সম্ভব" শেষ করা এবং দেশটির সাথে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানো। জরিপ অনুসারে, এই অসন্তোষের মূলে রয়েছে যুদ্ধের অর্থনৈতিক পরিণতি। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জ্বালানির দাম তীব্রভাবে বেড়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের দাম প্রতি গ্যালন ৪ ডলারেরও বেশি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার কংগ্রেসেও জনচাপের প্রতিফলন দেখা যায়, যেখানে প্রতিনিধি পরিষদ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করার দাবি জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাস করেছে।#

পার্সটুডে/এমআরএইচ/৫

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।