দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোড়া লাগাতে সময় লাগবে: মন্তব্য পুতিনের
-
হাংঝুতে বৈঠক করেন পুতিন ও এরদোগান
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও তার তুর্কি সমকক্ষ রজব তাইয়্যেব এরদোগান দু’দেশের মধ্যকার ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক করতে সম্মত হয়েছেন। গত বছর সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্তে তুর্কি বিমান বাহিনী একটি রুশ জঙ্গিবিমানকে গুলি করে ভূপাতিত করার পর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
চীনের হাংঝু শহরে জি২০ শীর্ষ সম্মেলনের আগে শনিবার রাতে বৈঠক করেন পুতিন ও এরদোগান। বৈঠক শেষে পুতিন সাংবাদিকদের বলেন, সব ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে ‘এখনো অনেক কিছু’ করতে হবে।
রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, তুরস্ক কঠিন সময় পার করছে। দেশটিতে সন্ত্রাসী হামলা হচ্ছে এবং আঙ্কারাকে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হচ্ছে। তুরস্কের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হলে দু’দেশের মধ্যকার সহযোগিতা আগের চেয়েও শক্তিশালী হবে বলে পুতিন আশা প্রকাশ করেন।
রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাতের পর এরদোগান সাংবাদিকদের জানান, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে ‘সুনির্দিষ্ট কিছু পদক্ষেপ’ নিতে সম্মত হয়েছেন পুতিন। বিশেষ করে পাইপলাইন স্থাপনের মাধ্যমে রাশিয়ার গ্যাস তুরস্কে নেয়ার প্রকল্প আবার শুরু করতে রাজি হয়েছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। জঙ্গিবিমান ভূপাতিত করার জের ধরে ওই প্রকল্পের কাজ স্থগিত রেখেছিল মস্কো।
রুশ বিমান ভূপাতিত করার জন্য গত জুনে পুতিনকে চিঠি লিখে দুঃখ প্রকাশ করেন এরদোগান। এরপর আঙ্কারার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে সম্মত হয় মস্কো। এর পরের মাসে তুরস্কে রক্তক্ষয়ী ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান হয়। ওই অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার পর এই প্রথম প্রেসিডেন্ট এরদোগান বিদেশ সফরে গেলেন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৪